পরীক্ষাগার থেকে ভাইরাসের বেরিয়ে পড়া অসম্ভব বলে বিজ্ঞানীর দাবি

চীনের উহান জীবাণুবিদ্যা বিষয়ক ইনস্টিটিউটের একজন বিজ্ঞানী, স্থাপনাটিতে নতুন করোনাভাইরাস তৈরির বিষয়টি জোর দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছেন।

চীনের রাষ্ট্র পরিচালিত গণমাধ্যমে প্রদত্ত এক সাক্ষাৎকারে ইউয়ান যিমিং উক্ত মন্তব্য করেন।

ইউয়ান, প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করা এই ভাইরাসের উৎপত্তি সামুদ্রিক খাদ্যের বাজার থেকে নয় বরং উক্ত ইনস্টিটিউটে তৈরি করা হয়েছে বলে মার্কিন গণমাধ্যমের দাবী প্রত্যাখ্যান করেন। উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসের উৎপত্তি বাদুড় থেকে হয়েছে বলে করা গবেষণার জন্য পরীক্ষাগারটি সুপরিচিত।

ইউয়ান, এই ইনস্টিটিউট থেকে করোনাভাইরাসের বেরিয়ে আসার সম্ভাবনা সম্পুর্ণ অসম্ভব বলে উল্লেখ করেন। তিনি, বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং উদ্ভাবনের জন্য ইনস্টিটিউটের কঠোর বিধি এবং নৈতিক নীতিমালা রয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

তিনি, এখানকার কোন শিক্ষার্থী, অবসরপ্রাপ্ত বা বর্তমানে কর্মরত কোন কর্মী সংক্রমিত হয়নি বলে জোর দিয়ে উল্লেখ করেন।

মার্কিন গণমাধ্যমের খবরের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি, তাদের কাছে কোন প্রমাণ নেই এবং খবরটিকে পুরোপুরি গুজব বলে উল্লেখ করেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, তাঁর প্রশাসন বিষয়টি তদন্ত করছে বলে জানান।

চীন সরকার, এই অভিযোগের কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই বলে চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের বক্তব্যের উল্লেখ করে উক্ত দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।

করোনার মধ্যে জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্প

জাপানের পূর্ব উপকূলে সোমবার ভোরে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে এর তীব্রতা ছিল ৬.৪। তবে, এতে সুনামির কোন সতর্কতা জারি করা হয়নি। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা একথা জানায়।

ইউএসজিএস তাদের ওয়েবসাইটে জানায়, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশের ৪১.৭ কিলোমিটার গভীরে এবং মিয়াগি অঞ্চল উপকূলের ৫০ কিলোমিটারের কম দূরত্বে।

এদিকে, জাপানের আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) জানায়, দেশটিতে আঘাত হানা ভূমিকম্পটির রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৬.১ এবং এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ৫০ কিলোমিটার গভীরে।

জাপানের কিয়োদো বার্তা সংস্থা জানায়, ভূমিকম্পের পর সুনামির কোন সতর্কতা জারি করা হয়নি। ভূমিকম্পটি ভোর সাড়ে ৫ টার পরপরই আঘাত হানে।

এর আগে ২০১১ সালে মিয়াগি অঞ্চলের প্রায় ১৩০ কিলোমিটার পূর্বে রিখটার স্কেলে ৯.০ তীব্রতার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। এরফলে সৃষ্ট ভয়াবহ সুনামির আঘাতে ফুকুশিমা পরমাণু কেন্দ্র ধ্বংস হয় এবং প্রায় ১৬ হাজার মানুষ প্রাণ হারায়।

এদিকে দেশটিতে প্রাণঘাতী করোনায় এখন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার ৭৯৭ জন। মারা গেছেন ২৩৬ জন। এএফপি।