টোকিও টাওয়ারে দর্শনার্থীদের সিঁড়ি বেছে নেয়ার আহ্বান জানানো হবে

এনএইচকে জানতে পেরেছে যে বৃহস্পতিবার থেকে টোকিও টাওয়ার খুলে দেয়া হবে। তবে পর্যবেক্ষণ ডেকে পৌঁছাতে হলে বেশিরভাগ দর্শনার্থীদের লিফটের বদলে সিঁড়ি দিয়ে যেতে হবে। করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে এই পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।

জাপানের রাজধানীর বিশিষ্ট এক স্থান টোকিও টাওয়ার, এপ্রিল মাসের ৮ তারিখ থেকে বন্ধ রাখা হয়েছিল।

১৫০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত পর্যবেক্ষণ ডেকে পৌঁছানোর জন্য কর্মীরা দর্শনার্থীদের সিঁড়ি নিতে বলবেন। প্রায় ৬০০ টি সিঁড়ি পেরিয়ে তারা টাওয়ারের প্রায় অর্ধেক পর্যায়ে অবস্থিত পর্যবেক্ষণ ডেকে গিয়ে পৌঁছাবেন।

শুধুমাত্র বয়স্ক এবং প্রতিবন্ধী লোকজন লিফট ব্যবহার করতে পারবেন এবং এই সংখ্যা প্রতিবার পাঁচজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হবে।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলতে হবে দর্শনার্থীদের। দুই মিটার ব্যবধান রেখে পর্যবেক্ষণ ডেকে দাঁড়ানোর স্থান নির্ধারণ করা থাকবে।

সকাল ৯ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত টাওয়ারটি খোলা থাকবে। স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় দুই ঘন্টা আগে এটি বন্ধ করা হচ্ছে।

একজন কর্মকর্তা বলেন, টোকিওর এক বিখ্যাত প্রতীক হিসাবে টাওয়ারটির অভিজ্ঞতা লাভ করার সময় যেন দর্শনার্থীরা নিরাপদ অনুভব করতে পারেন, পরিচালক কোম্পানি সেই আশা করছে।

ভাইরাসের বিরুদ্ধে জাপানের লড়াই একটি “সাফল্য”- ডব্লিউএইচও

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও’র প্রধান করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে জাপানের প্রচেষ্টাকে একটি “সাফল্য” বলে প্রশংসা করেছেন।

সমগ্র জাপানের উপর থেকে জরুরি অবস্থা তুলে নেয়ার পর ডব্লিউএইচও’র মহাপরিচালক তেদ্রোস আদহানোম ঘেব্রেইসাস সোমবার জেনেভায় সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রাদুর্ভাব তুঙ্গে থাকাকালীন জাপানে দৈনিক ৭শ’রও বেশি নতুন সংক্রমণের ঘটনা ঘটলেও এখন সেটি দৈনিক প্রায় ৪০’এ নেমে এসেছে। তিনি আরও বলেন, দেশটিতে মোট মৃত্যুর সংখ্যাও কমের মধ্যে রাখা হয়েছে।

ডব্লিউএইচও’র জরুরি কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালক মাইকেল রায়ান বলেছেন, বিশ্বজুড়ে দেশগুলো এখন সংক্রমণের প্রথম ঢেউয়ের মাঝখানে আছে।

রায়ান সতর্ক করে দিয়ে বলেন যে কয়েক মাস পর অনেক দেশেই এই প্রাদুর্ভাবের পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে।