করোনা: জাপানে ৩১ মে পর্যন্ত বাড়ছে জরুরি অবস্থা

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় দেশব্যাপী জরুরি অবস্থার মেয়াদ ৩১ মে পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তুতি নিয়েছে জাপান সরকার।

দেশটির প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে এর আগে গত ৭ এপ্রিল টোকিও এবং আরো ছয়টি এলাকায় মাসব্যাপী জরুরি অবস্থা জারির ঘোষণা দেন। পরবর্তীতে তা পুরো দেশজুড়ে করা হয়। বুধবার ঔ জরুরি অবস্থার মেয়াদ শেষ হচ্ছে।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংক্রমণ রোগ বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনার পর ধারণা করা হচ্ছে আবে ৩১ মে পর্যন্ত জরুরি অবস্থার মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দেবেন।

খবরে বলা হয়েছে, শিনজো আবে সোমবার দিনের শেষে সংবাদ সম্মেলনে সরকারি সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দেবেন।

এখন পর্যন্ত দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ১৫ হাজারেরও বেশি লোক, মারা গেছে ৫১০ জন।

কোবে হাসপাতাল করোনাভাইরাস এন্টিবডি পরীক্ষা চালিয়েছে

পশ্চিম জাপানের কোবে শহরের একটি হাসপাতাল এটি খুঁজে পেয়েছে যে তাদের বহির্বিভাগের রোগীদের মধ্যে প্রায় ৩ শতাংশ করোনাভাইরাস এন্টিবডি বহন করছেন যা কোন এক সময়ে তাদের সংক্রমিত হবার ইঙ্গিত দেয়।

মূলত, কোবে সিটি মেডিক্যাল সেন্টার জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকদের একটি গ্রুপ মার্চের শেষ দিকে থেকে এপ্রিলের শুরুর দিক পর্যন্ত করোনাভাইরাসের উপসর্গ ব্যতিরেকে অন্যান্য কারণে ঐ হাসপাতালে আসা রোগীদের কাছে থেকে ১ হাজার রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে।

তার মধ্যে ৩৩টি নমুনা বা ৩.৩ শতাংশের এন্টিবডি পরীক্ষায় ইতিবাচক ফল এসেছে।

তবে, ঐ চিকিৎসকরা এটি উল্লেখ করেছেন যে পরীক্ষার পুঙ্খানুপুংখতার প্রশ্ন এবং শুধুমাত্র হাসপাতালের বহির্বিভাগে আসা রোগীদের কাছে থেকে নমুনা সংগ্রহের কারণে তাদের প্রাপ্ত ফলাফলের প্রভাবের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা আছে।

তবে, তারা বলছেন যে কোবের জনসংখ্যার উপর তাদের প্রাপ্ত শতাংশ প্রয়োগ করলে এই ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে শহরের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ ইতিমধ্যেই সংক্রমিত হয়েছেন।

হাসপাতালটির প্রধান কিহারা ইয়াসুকি শনিবার বলেন যে ধারণার চাইতে আরও অনেক বেশি সংক্রমিত হবার সম্ভাবনা আছে এবং এর ফলস্বরূপ তারা এই এন্টিবডি বহন করছেন।