জাপানের জরুরি অবস্থা সম্প্রসারণের প্রস্তুতি

জাপান সরকার, সোমবার আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে সারা দেশব্যাপী পরিকল্পিত জরুরি অবস্থার মেয়াদ সম্প্রসারণের বিস্তারিত বিষয়াদি চূড়ান্ত করে নিচ্ছে।

শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী আবে শিনযো, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে বর্তমান অবস্থা বজায় রাখতে তার সরকারের পরিকল্পনার বিষয়ে জানান। উল্লেখ্য, আগামী বুধবার বর্তমান জরুরি অবস্থার মেয়াদ শেষ হবে।

শুক্রবার দিনের প্রথমভাগে সরকারের গঠিত বিশেষজ্ঞদের একটি প্যানেল, নতুন সংক্রমণের সংখ্যায় নিম্নমুখী প্রবণতা প্রতীয়মান হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন। এতে, মানুষের সাথে মানুষের সংস্পর্শতা ৮০ শতাংশ হ্রাস করার লক্ষ্যের বিষয়ে বিভিন্ন বয়স ও অঞ্চল ভেদে মিশ্র ফলাফল দেখা যাচ্ছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

সংক্রমণের সংখ্যার পরিবর্তন এবং প্রত্যেক অঞ্চলের স্বাস্থ্য সেবা ব্যবস্থার পরিস্থিতির উপর ভিত্তি করে জরুরি অবস্থার মেয়াদ সম্প্রসারণের সময়সীমা নির্ভর করবে।

অপর একটি বিষয় হচ্ছে, বর্তমানে বিশেষ সতর্ক অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত টোকিও ও অপর ১২টি জেলার সঙ্গে আরও জেলা অন্তর্ভুক্ত করা হবে কিনা।

কানাডার ইতিহাসে প্রথমবারের মত আজান দেয়ার অনুমতি

কানাডার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মসজিদের মাইক থেকে আজান প্রচার করার অনুমতি পেয়েছেন দেশটির মুসলিমরা। কানাডার কয়েকটি শহরে পবিত্র রমজান মাসের জন্য এই অনুমতি দেয়া হয়েছে।

এখন থেকে দেশটির রাজধানী অটোয়ার পাশাপাশি টরেন্টো, এডমন্টন ও হ্যামিল্টন শহরের মসজিদগুলো থেকে জোহর, আসর ও মাগরিবের নামাজের আজান দেয়া যাবে। এসব অঞ্চলের পৌরসভা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এই অনুমতি দেয়া হয়েছে।

হ্যামিল্টন শহরের ‘মাউন্টেন’ মসজিদের ইমাম সাইয়েদ তরা বলেন, কানাডায় বসবাসরত মুসলমানদের জন্য আজকের দিনটি ঐতিহাসিক।

তিনি আরও বলেন, আজান আল্লাহর আহবান যিনি মানুষকে ইবাদতের জন্য আমন্ত্রণ জানান। এতে আমাদের প্রত্যেকের সাড়া দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

ডেইলি সাবাহ’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মুসলিম নাগরিকদের অনুরোধের প্রেক্ষিতে রমজান মাস উপলক্ষে এই আজান দেওয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে। রমজান শেষ হওয়ার পর কোনো মসজিদ থেকে আর আজান দেয়া যাবে না।

তবে সাইয়েদ তরা জানান, রমজানের পরও যেন আজান প্রচার করা যায় ও কানাডার প্রতিটি শহর যাতে এ ধরনের অনুমতি পায় সে চেষ্টা চলছে । আনাতোলি, ডেইলি সাবাহ, পার্স টুডে।