করোনায় প্রাণ হারিয়েছে ২ লাখ ২৭ হাজারেরও বেশি মানুষ

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় ৩২ লাখ মানুষ। আর মৃত্যু বরণ করেছে ২ লাখ ২৭ হাজারেরও বেশি মানুষ । তবে সুস্থ হয়েছেন প্রায় ১০ লাখ মানুষ। বৃহস্পতিবার জনস হপকিনস ইউনিভার্সিটি এ তথ্য জানায়।

জনস হপকিনসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩১ লাখ ৯৩ হাজার ৯৬১ জন এবং মারা গেছেন ২ লাখ ২৭ হাজার ৬৪৪ জন। এ ছাড়া, সুস্থ হয়েছেন ৯ লাখ ৭২ হাজার ৭৪১ জন।

করোনা ভাইরাসে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১০ লাখ ৩৯ হাজার ৯০৯ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৬০ হাজার ৯৬৬ জনের। সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ২০ হাজার ৭২০ জন।

দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা স্পেনে আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৩৬ হাজার ৮৯৯ জন এবং মারা গেছেন ২৪ হাজার ২৭৫ জন। সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ৩২ হাজার ৯২৯ জন।

মৃত্যুর দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পর সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে ইতালিতে। এখানে এখন পর্যন্ত ২৭ হাজার ৬৮২ জন মারা গেছেন। আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৩ হাজার ৫৯১ জন। সুস্থ হয়েছেন ৭১ হাজার ২৫২ জন।

এদিকে, যুক্তরাজ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ৪৪১ জন, মারা গেছেন ২৬ হাজার ১৬৬ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৮৫৭ জন। ফ্রান্সে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ৫৪৩ জন, মারা গেছেন ২৪ হাজার ১২১ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৪৯ হাজার ১১৮ জন।

সেপ্টেম্বর মাস থেকে শিক্ষাবর্ষ শুরু করা বিবেচনা করে দেখবে জাপান সরকার

জাপানের প্রধানমন্ত্রী আবে শিনযো বলেছেন শিক্ষাবর্ষের শুরু এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর মাসে বদল করে নেয়া হবে কিনা তা বিবেচনা করে দেখার বেলায় নানারকম বিকল্প তার সরকার যাচাই করে দেখবে।

বুধবার সংসদের নিম্ন কক্ষের বাজেট কমিটির এক বৈঠকে এই রদবদলের আহ্বান নিয়ে আবে মন্তব্য করেন। করোনাভাইরাস মহামারির ফলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ থাকায় কিছু কিছু জেলা গভর্নর ও বিরোধী দল চাইছে শিক্ষাবর্ষের শুরু যেন সেপ্টেম্বর মাসে পিছিয়ে দেয়া হয়।

আবে বলেছেন কিছু লোকজন যে বিচক্ষণতা প্রদর্শনের আহ্বান জানাচ্ছেন সে বিষয়ে তিনি অবগত আছেন, তবে নানারকম বিকল্প পরীক্ষা করে দেখায় আগ্রহী থাকার ইঙ্গিত তিনি দেন।

এই ধারণা সমর্থন করা সরকার ও ক্ষমতাসীন শিবিরের কর্মকর্তারা বলছেন এই রদবদল স্কুল বন্ধ রাখার ফলে শিক্ষা ব্যাহত হওয়ার ক্ষতি পূরণ করে নেয়া সম্ভব করে তুলবে এবং শিক্ষার সুযোগে দেখা দেয়া ব্যবধান দূর করবে।

তারা আরও বলছেন জাপানিদের জন্য এটা শরৎকালে শিক্ষাবর্ষ শুরু হওয়া বিদেশে লেখাপড়া করা সহজ করে তুলবে।