যুক্তরাষ্ট্রে বেকারত্বের হার রেকর্ড ১৪.৭ শতাংশে উন্নীত

করোনাভাইরাস বৈশ্বিক মহামারী বিশ্বের সর্ববৃহৎ অর্থনীতির উপর আঘাত হানার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে বেকারত্বের হার গতমাসে রেকর্ড সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

শ্রম মন্ত্রণালয় শুক্রবার জানায় যে এপ্রিল মাসে বেকারত্বের হার মার্চ মাস থেকে ৪.৪ শতাংশ বেড়ে ১৪.৭ শতাংশে পৌঁছেছে, যা ১৯৪৮ সালে রেকর্ড রাখা শুরুর পর থেকে সর্বোচ্চ মন্দাবস্থা।

মন্ত্রণালয় বলছে, অপ্রাতিষ্ঠানিক বেতনভোগীদের সংখ্যা এর আগের মাসের তুলনায় ২ কোটিরও বেশি কমেছে। ১৯৩৯ সালে রেকর্ড রাখা আরম্ভের পর থেকে এটি সর্বোচ্চ হ্রাস।

সাম্প্রতিক এই উপাত্তে দেখা গেছে যে অর্থনৈতিক কার্যক্রমের উপর নিষেধাজ্ঞা বজায় থাকার মাঝে বিস্তৃত ধরণের শিল্পের নিয়োগকারীরা কাজের সংখ্যার হ্রাস অব্যাহত রেখেছে।

এদিকে, অনেক অঙ্গরাজ্যেই বাণিজ্যিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু হচ্ছে। তবে কিছু বিশ্লেষক এই পূর্বাভাষ দিচ্ছেন যে অনেক চাকুরিদাতাই করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় একটি ঢেউ আঘাত হানার আশংকা করায় বেকারত্বের হার কিছুকাল ধরে ১০ শতাংশের উপরেই অবস্থান করবে।

কোভিড-১৯ এর জন্য ঔষধের ক্লিনিকাল পরীক্ষা শুরু করেছে টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়

টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের একটি গ্রুপ করোনাভাইরাসে সংক্রমিত ব্যক্তিদের সম্ভাব্য চিকিৎসা দেয়ার মত একটি ঔষধের ক্লিনিকাল বা মানব দেহে প্রয়োগের পরীক্ষা শুরু করেছে।

নাফামোস্ট্যাট মেসাইলেট সাধারণত অগ্ন্যাশয়ের জটিলতা’সহ রক্ত জমাট বাধার মত অন্যান্য রোগের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ফুথান ব্র্যান্ড নামে বাজারজাত করা হয়।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি শরীরে রক্ত জমাট বাধার পর করোনাভাইরাসবাহী অনেক ব্যক্তির শারীরিক অবস্থার অবনতির কিছু খবর পাওয়া গেছে।

টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়’সহ জাপানের অন্য পাঁচটি হাসপাতালে করোনাভাইরাস থেকে সৃষ্ট নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ১শ ৬০ জন রোগীর উপর এই পরীক্ষা চালানো হচ্ছে।

রোগীদের দু’টি দলে ভাগ করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একটি দলের উপর ফুথান এবং ভাইরাস রোধী এভিগান ঔষধ যৌথভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে। আর অন্য গ্রুপকে শুধুমাত্র এভিগান দেয়া হচ্ছে।

গবেষকরা দেখতে চাইছেন, করোনাভাইরাস উপসর্গের চিকিৎসায় ফুথান কার্যকরী এবং নিরাপদ কিনা। তারা বলছেন, গবেষণাগার পরীক্ষায় দেখা গেছে এটি সম্ভবত ভাইরাসের বিস্তারকে দমন করতে পারে।