সূর্যের ১০ বছর ‘বয়স’ বৃদ্ধি এক ঘণ্টায় দেখল নাসা

সূর্য নিয়ে আমাদের কৌতূহলের অন্ত নেই। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা আমাদের কৌতূহল কিছুটা হলেও মেটানোর জন্য সূর্যকে একদম কাছ থেকে দেখার সুযোগ করে দিয়েছে একটি ভিডিওর মাধ্যমে। মাত্র ১ ঘণ্টায় দেখা যাচ্ছে ১০ বছরে সূর্যের ‘বয়স’ বৃদ্ধি কীভাবে প্রভাব ফেলেছে এই নক্ষত্রটির ওপর।

‘ফাস্ট ফরোয়ার্ড’ করে প্রতি সেকেন্ডে সূর্যের ২৪ ঘণ্টা বা ১ দিনের ঘূর্ণন দেখানো হয়েছে ফোরকে রেজ্যুলেশনের এই ভিডিওতে। নাসার সোলার ডাইনামিক্স অবজারভেটরি (এসডিও) স্যাটেলাইট ২০১০ সালের ২ জুন থেকে ২০২০ সালের ১ জুন পর্যন্ত মহাকাশ থেকে ‘ননস্টপ’ মোডে বা বিরতিহীনভাবে সূর্যের ছবি তুলে গেছে।

নাসা সেখান থেকে ৪ কোটি ২৫ লাখ ছবি পরপর সাজিয়ে ভিডিওতে রূপান্তর করে বিশ্ববাসীকে দেখার সুযোগ করে দিয়েছে সূর্যের সেই অনন্য রূপ।

বিজ্ঞানীরা বলেছেন, এই ছবি সূর্যকে নিয়ে গবেষণায় আরেক ধাপ অগ্রগতি এনে দিবে। তারা বলেছেন ১১ বছরের চক্রে সূর্যের ম্যাগনেটিক ফিল্ডের মেরু পরিবর্তন হয়। ভিডিওটি নাসার একটি ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ৮ লাখের বেশি দর্শক এটি দেখেছে। শত শত বিস্মিত দর্শক নানা মন্তব্য করেছে সূর্যের এই অসাধারণ ভিডিওটি দেখে। এমন বিরল সুযোগ করে দেওয়ার জন্য তারা নাসাকে ধন্যবাদ জানিয়েছে এবং আরো গ্রহ, উপগ্রহ, নক্ষত্রের এমন ছবি দেখানোর অনুরোধ করেছে। ডেইলি মেইল।

২০১৩ সাল থেকেই সংক্রমিত হওয়া শুরু করে করোনা!

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের আঘাতে পুরো বিশ্ব জর্জরিত। ধারণা করা হয়, গত ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে ছড়িয়েছে এই ভাইরাস। আবার মার্কিন বিজ্ঞানীরা দাবি করেন যে, অক্টোবর থেকেই এই ভাইরাস চীনে ছড়াতে শুরু করেছিল। তবে এবার কানাডার বিজ্ঞানীদের দাবি, ২০১৩ সাল থেকেই সংক্রমণ শুরু হয় করোনা ভাইরাসের। যা চরিত্র বদলে ধীরে ধীরে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে।

সম্প্রতি কানাডার ক্যালগারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক দাবি করেন, ২০১৩ সাল থেকেই মানব শরীরে সংক্রমিত হতে শুরু করেছিল করোনা ভাইরাস । তবে কানাডার বিজ্ঞানীদের মতে, বিশ্বজুড়ে মহামারি সৃষ্টিকারী করোনার সঙ্গে ওই ভাইরাসের যথেষ্ট চরিত্রগত পার্থক্য রয়েছে।

বিজ্ঞানীরা জানান, তাদের গবেষণালব্ধ বিষয়ের তথ্যগুলো এখনো বিশদভাবে বিশ্লেষণ বা পর্যালোচনা করা হয়নি। বিজ্ঞানীদের মতে, করোনা ভাইরাসের গঠন তার সংক্রামকতার নির্ধারক নাও হতে পারে। তাদের বিশ্বাস, করোনার অন্যান্য কিছু পরিবর্তন অবশ্যই ঘটেছে যা মানুষের মধ্যে সংক্রমণের মাত্রা বা ভয়াবহতাকে বহুগুণ বাড়িয়ে তুলেছে।

বিশ্বে এ পর্যন্ত এক কোটিরও বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন প্রায় ৫ লাখের মতো মানুষ। জি নিউজ।