আরও ১৮টি দেশের নাগরিকদের জাপানে প্রবেশ নিষিদ্ধ

জাপান, বৈশ্বিক করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় আরও ১৮টি দেশের নাগরিকদের জাপানে প্রবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরিকল্পনা করছে।

জাপানে প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা দেশের তালিকায়, কিউবা ও লেবাননসহ এই ১৮টি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এরফলে নিষেধাজ্ঞা তালিকায় থাকা দেশের সংখ্যা, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও রাশিয়ার মত দেশগুলোসহ আগের ১শ ১১টি থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১শ ২৯টিতে উন্নীত হবে।

গতকাল সাংবাদিকদের কাছে জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোতেগি তোশিমিৎসু, সরকার যথাযথ সময়ে সম্প্রসারণের এই পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করতে চায় বলে উল্লেখ করেন।

টোকিও, এসকল দেশ সফর না করতে জাপানী নাগরিকদের পরামর্শ দেয়া সংক্রামক ব্যাধির সতর্কতার মাত্রা ৩এ উন্নীত করার পর উক্ত পরিকল্পনা উন্মুক্ত করা হয়।

সরকার, থাইল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া এবং অপর আরও দুটি দেশের উপর আরোপিত প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণের বিষয় বিবেচনা করছে।

মোতেগি, সংক্রমণের মোকাবিলা এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পুনরারম্ভের মধ্যকার ভারসাম্য রক্ষার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। তিনি, সরকার ভাইরাস পরীক্ষা, কোয়ারেন্টিন বা সঙ্গনিরোধ এবং অন্যান্য সমস্যাদি নিয়ে যথাযথ পদক্ষেপের বিষয় বিবেচনা করছে বলেও জানান।

মুখের মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ ডব্লিউএইচও’র

ভাইরাসের বিস্তার ঘটা এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা কঠিন, এরকম এলাকাসমূহে মুখের মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ অন্তর্ভুক্ত করে নিজেদের কোভিড-১৯ নির্দেশিকা হালানাগাদ করে নিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও।

উল্লেখ্য, ডব্লিউএইচও ইতিপূর্বে বলেছিল যে স্বাস্থ্যবান মানুষ মুখের মাস্ক ব্যবহার করে যে সংক্রমণ রোধ করতে পারবে, তার স্বপক্ষে কোন প্রমাণ নেই।

ডব্লিউএইচও’র মহাপরিচালক তেদ্রোস আদহানোম ঘেব্রেইসুস শুক্রবার জেনেভাতে সাংবাদিকদের বলেন যে উদ্ভূত প্রমাণের ভিত্তিতে এই হালানাগাদ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ডব্লিউএইচও এখন সরকারগুলোকে এমন পরামর্শ দিচ্ছে যে তারা যেন সাধারণ জনগণকে ব্যাপক সংক্রমণ এবং গণপরিবহন বা দোকানের মতে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা কঠিন হওয়ার মত স্থানগুলোতে মাস্ক পরিধানে উদ্বুদ্ধ করে।

তবে, তিনি শুধুমাত্র মাস্ক যে লোকজনকে ভাইরাস থেকে সুরক্ষা দিতে পারবে না, সেটিও উল্লেখ করেন এবং শারীরিক দূরত্বের পাশাপাশি হাতের পরিচ্ছন্নতার গুরুত্বের উপর জোর দেন।