জাপান করোনাভাইরাস সংস্পর্শে আসা শনাক্তকরণ অ্যাপ চালু করছে

জাপান সরকার একটি স্মার্টফোন অ্যাপ চালু করেছে যেটি করোনাভাইরাসে নিশ্চিতভাবে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনাক্ত করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।

এই অ্যাপটি শুক্রবার থেকে অ্যাপ বিতরণ প্লাটফর্মে ফ্রি সফটওয়্যার হিসেবে প্রকাশিত হয়।

এই অ্যাপ ব্যবহারকারীদের সংস্পর্শে আসার উপাত্ত মজুদ করে রাখবে যখন তারা একে অন্যের এক নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে আসবেন।

যদি ব্যবহারকারীরা এই ভাইরাসের পরীক্ষায় আক্রান্ত বলে নিশ্চিত হন, তাহলে অন্যান্য ব্যবহারকারীরা যারা তাদের থেকে ১ মিটারের মধ্যে ন্যূনতম ১৫ মিনিট অবস্থান করেছেন তাদেরকে অবহিত করবে।

এই অ্যাপ উপাত্ত রেকর্ড করার ১৪ দিন পরে সংস্পর্শে আসার উপাত্ত মুছে ফেলবে। এছাড়াও এই অ্যাপটি ব্যবহারকারীকে শনাক্ত করতে পারে এমন কোন ফোন নাম্বার, স্থানের উপাত্ত বা অন্য তথ্য সংগ্রহ করবে না।

সরকার জানাচ্ছে, এই অ্যাপটি বিদেশে চালু থাকা একই ধরনের সফটওয়্যারের থেকে ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা আরও ভালভাবে রক্ষা করতে পারবে।

সরকার এই অ্যাপটির ব্যাপক ব্যবহারের বিষয়টি উৎসাহিত করার পরিকল্পনা করছে। সরকার জানাচ্ছে, এই অ্যাপ’এর যখন অনেক ব্যবহারকারী হবে তখন তা করোনাভাইরাসের দ্রুত পরীক্ষা করা এবং বিস্তার রোধে সহায়তা করবে।

আগামী বছরের শেষ দিকে তৈরি হবে ২০০ কোটি ভ্যাকসিন: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

করোনা ভাইরাসের মহামারিতে নাকাল বিশ্ববাসী। সারা বিশ্ব এখন তাকিয়ে কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিনের দিকে। এমন সময় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, আগামী বছরের শেষের দিকেই প্রস্তুত হবে ২০০ কোটি ভ্যাকসিন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বিজ্ঞানী ড: সৌম্য স্বামীনাথন জানান, পরবর্তী বছর শেষের আগেই তৈরি হয়ে যাবে ২০০ কোটি করোনা প্রতিষেধক।

শুক্রবার জেনেভা থেকে ওই বিজ্ঞানী বলেছেন, এই মুহূর্তে আমাদের কাছে প্রমাণিত কোনও প্রতিষেধক নেই। তবে আমাদের সৌভাগ্য যে আমরা এ বছরের শেষেই একজন বা দুইজনের করোনা প্রতিষেধক তৈরিতে সাফল্য পেতে দেখব।

তবে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, এখনও করোনা লড়াইয়ে কার্যকরী প্রতিষেধক পেতে ১২ থেকে ১৮ মাস সময় লাগবে। এদিকে গত মাসে গ্লোবাল ফার্মাসিটিক্যালসের ফিজার জানিয়েছেন, অক্টোবরের শেষেই করোনা প্রতিষেধক তৈরি হয়ে যাবে।

গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, এখন সারা বিশ্বে প্রায় ১০০ টি প্রতিষেধকের উপর বিভিন্ন স্তরে পরীক্ষা চলছে। কিন্তু পুরোদমে করোনার সঙ্গে লড়াই করবে এমন প্রতিষেধকের খোঁজ এখনও ধোঁয়াশা। যদিও অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় নির্মিত প্রতিষেধক এখন পর্যন্ত আশার আলো দেখিয়েছে। কিন্তু কবে ওই প্রতিষেধক কোভিড-১৯ এর সঙ্গে লড়াই করে বিশ্ববাসীকে আতঙ্ক থেকে মুক্তি দেবে তা এখনও অনিশ্চিত। জিনিউজ।