দিল্লিতে হামলার প্রতিবাদে উত্তাল ঢাকা, মোদিকে আমন্ত্রণ প্রত্যাহার দাবি

দিল্লিতে মুসলিমদের ওপর নিপীড়ন ও হামলার প্রতিবাদে ঢাকায় বায়তুল মোকাররম এলাকায় বিক্ষোভ করেছেন মুসল্লীরা। আজ শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর সমমনা ইসলামী দলগুলোর ব্যানারে মসজিদের গেটে এই বিক্ষোভ হয়।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, ভারতের সাম্প্রদায়িক মোদী সরকার সংখ্যালঘু মুসলিমদের ওপর নির্মম নির্যাতন চালাচ্ছে। মুসলমানমানদের বাড়ি ঘরে আগুন দিয়ে তাদের ঘরবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে। নারী ও শিশুদের ওপরও নির্মম নির্যাতন চালানো হচ্ছে। বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায়কে ভারতের মুসলমানের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান বক্তারা। এসময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রত্যাহার করার দাবি জানানো হয়।

এসময় মুসল্লিরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। এরআগে বায়তুল মোকাররম মসজিদের আশপাশের এলাকায় ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। মসজিদে বিপুল সংখ্যক মুসল্লীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। নামাজ শেষে তাদের অনেকে বিক্ষোভে যোগ দেন।

আকিহাবারা মসজিদের ইমামের সাক্ষাৎকার

করোনাভাইরাসের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধি পাওয়ার মুখে টোকিওর কেন্দ্রস্থলের একটি মসজিদ শুক্রবারের জুম্মার নামাজ বাতিল করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

মসজিদ নুসানতারা আকিহাবারা টোকিও আজ ঘোষণা করেছে যে আগামী সপ্তাহ পর্যন্ত মুসলমানদের পবিত্র দিনের বিশেষ নামাজ মসজিদ স্থগিত রাখবে। ইন্দোনেশীয় সম্প্রদায় মসজিদের ব্যবস্থাপনা করছে এবং টোকিওর আকিহাবারা এলাকায় সেটি অবস্থিত।

মসজিদের ইমাম মুহাম্মদ আনোয়ার বলেছেন যে জাপান সরকার নতুন করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে বিভিন্ন ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিরতি দেয়ার জন্য চাপ দিয়ে যাওয়ায় তারা সেই বিশেষ নামাজ স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, “জাপানে আমরা বসবাস করায় জাপান সরকারের বিজ্ঞপ্তি আমাদের মেনে চলা উচিৎ, যদিও এটা হচ্ছে শুধুমাত্র বিজ্ঞপ্তি, নিষেধাজ্ঞা নয়। মসজিদের ধারণ ক্ষমতা হচ্ছে ১০০জন পর্যন্ত। নামাজে শুধুমাত্র ইন্দোনেশীয়রাই নন, অন্যান্য বিভিন্ন দেশের লোকজনও যোগ দিয়ে থাকেন এবং নামাজ আদায় করতে এখানে আসেন বলে সাধারণত সার্জিকাল মাস্ক তারা পরেন না। এটা বন্ধ করার চেষ্টা আমরা করছি। একারণেই জাপান সরকারের বিজ্ঞপ্তি আমাদের মান্য করা উচিৎ।”