দৃষ্টিহীন ম্যারাথনে জাপানি নারীর বিশ্বরেকর্ড

দৃষ্টিহীন ক্রীড়াবিদদের জন্য আয়োজিত নারী ম্যারাথনে নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন ৪৩ বছর বয়সী এক জাপানি দৌড়বিদ।

বেপ্পু ওইতা মাইনিচি ম্যারাথনে দৃষ্টিহীন ক্রীড়াবিদদের বিভাগে মিসাতো মিচিশিতা দুই ঘন্টা ৫৪ মিনিট ২২ সেকেন্ডে দৌড় শেষ করেন।

পশ্চিম জাপানের ওইতা জেলায় রবিবার এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৭ সালে তার পূর্বের বিশ্বরেকর্ডের চেয়ে তিনি এক মিনিট ৫২ সেকেন্ড কম সময় নেন।

ধীরে দৌড় শুরু করার পর মিচিশিতা পূর্বের বিশ্বরেকর্ডের চেয়ে দ্রুত গতিতে প্রথম অবস্থানে থাকা শুরু করেন। ২৫ কিলোমিটার পর সবাইকে পেছনে ফেলে তিনি দৌড়াতে থাকেন এবং চূড়ান্ত লাইনে পৌঁছানোর বাকি পথ তিনি সহজ নেতৃত্ব বজায় রাখেন।

মিচিশিতা জুনিয়র হাইস্কুলের ছাত্রী থাকা অবস্থায় এক রোগের কারণে তার প্রায় সম্পূর্ণ দৃষ্টিশক্তি হারান। তিনি ২০১৬ রিও ডি জেনেইরো প্যারালিম্পিকে রৌপ্যপদক জয় করেন।

গত এপ্রিলে লন্ডনে বিশ্ব প্যারালিম্পিক ম্যারাথনে বিজয়ী হওয়ার পর মিচিশিতা অনানুষ্ঠানিকভাবে এই গ্রীষ্মে টোকিও অলিম্পিকে প্রতিযোগিতা করার জন্য নির্বাচিত হন।

উহান থেকে জাপানে ফেরা লক্ষণ সনাক্ত না হওয়া ব্যক্তির লক্ষণ প্রকাশিত

পূর্বে করোনা ভাইরাসের দৃশ্যত কোন লক্ষণ প্রকাশ না পাওয়া আক্রান্ত এক ব্যক্তির জ্বরসহ অন্যান্য লক্ষণ এখন দেখা যাচ্ছে।

৪০-এর কোঠার বয়সী ঐ ব্যক্তি চীনে করোনা ভাইরাস বিস্তারের কেন্দ্রস্থল উহান থেকে সরকারি ভাড়া করা এক বিমানে গত বুধবার জাপানে ফিরে আসেন।

ফেরার পর তার মধ্যে কোন লক্ষণ দেখা যায়নি তবে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় দেখা গিয়েছিল যে তিনি আক্রান্ত।

ঐ ব্যক্তির দেহে লক্ষণসমূহ প্রকাশিত হওয়ায় সোমবার জাপানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য প্রকাশ করে। তিনি টোকিও’র নিকটে চিবার এক হাসপাতালে রয়েছেন।

কর্মকর্তারা জানান লক্ষণ দেখা না যাওয়ার পর লক্ষণ প্রকাশিত হওয়া এই ব্যক্তি জাপানে প্রথম।

সরকারি ভাড়া করা বিমানে করে ৫৬০ জনেরও বেশি জাপানে ফিরে আসেন। যাদের মধ্যে আটজন আক্রান্ত ছিলেন।

কর্মকর্তারা জানান সরকারি বাসযোগ্য স্থাপনায় এসব ব্যক্তিদের দু’সপ্তাহ পর্যন্ত আলাদা রাখা হবে।