বছরের শেষদিকে বাজারে আসবে চীনের করোনা ভ্যাকসিন

চলতি বছরের শেষদিকে চীনের তৈরি করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন বাজারে পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন দেশটির রাষ্ট্রীয় ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানি সিনোফার্মের চেয়ারম্যান লিউ জিংজেন। চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সংবাদপত্রকে তিনি এমনটি বলেন।

চীনের সিনোফার্ম কোম্পানির চেয়ারম্যান লিউ জিংজেন চিনা কমিউনিস্ট পার্টির সংবাদপত্রকে বলেছেন, ‘এই ভ্যাকসিনটির জন্য এক হাজার ইউয়ান বা ১৪০ ডলারের চেয়ে কম দাম হবে । ২৮ দিনের ব্যবধানে ভ্যাকসিনের দু’টি ডোজ দেওয়া হবে।’’

লিউ জিংজেন আরো বলেন, ‘করোনার প্রতিষেধক তৈরি হয়ে গেলে প্রথমেই দেশের বড় শহরগুলির শিক্ষার্থী ও শ্রমিকদের দেওয়া দরকার। আমাদের দেশের ১৪০ কোটি মানুষের সবাইকেই এটি গ্রহণ করতে হবে না।

চীনের সরকারি সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, নোভেল করোনা ভাইরাস নিয়ে এখনও চরম উদ্বেগে চীনা প্রশাসন। ইতোমধ্যেই সে দেশের গবেষক ও প্রশাসনের একাধিক শীর্ষকর্তাকে ভ্যাকসিনের ডোজ দেওয়া হয়েছে। এপি

 

মঙ্গলবার পশ্চিম জাপান জুড়ে তীব্র দাবদাহ

মঙ্গলবারও পশ্চিম জাপানের অনেক অংশেই তাপমাত্রার তীব্র বৃদ্ধি অব্যাহত ছিল এবং কিয়ুশু ও শিকোকু’র মূল দ্বীপে তা ৪০ ডিগ্রির কাছাকাছি পর্যন্ত পৌঁছায়।

জাপানের আবহাওয়া এজেন্সি বলছে, একটি উচ্চচাপের কেন্দ্র কিউশু’র পশ্চিমে অবস্থান করায় সেটি বিস্তৃত এলাকা জুড়ে তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি তীব্র করে তোলে।

মঙ্গলবার বেলা ৩টার মধ্যে কিউশু ও শিকোকু এলাকার ১৮টি পর্যবেক্ষণের স্থানে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের রেকর্ড সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বা পূর্ববর্তী রেকর্ডের সমান তাপমাত্রা পরিলক্ষিত হয়। কোচি জেলার শিমানতো এবং মিয়াযাকি জেলার মিয়াকোনোজো’তে তাপমাত্রা ৩৯.৪ ডিগ্রি ছোঁয়।

এদিকে, জাপান জুড়ে হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে নেয়া লোকজনের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি মৃতের সংখ্যাও ক্রমশ বাড়ছে।

শুধুমাত্র টোকিওতে সোমবার পর্যন্ত ৯দিন ধরে হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মোট ২৬ ব্যক্তি প্রাণ হারিয়েছেন।

মৃতদের মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশের বয়স ৭০ বা তার উপরে।

জানা যাওয়া ২৬টি মৃত্যুর মধ্যে ২৫টি ঘটেছে বাড়ির অভ্যন্তরে। তাদের মধ্যে ২২ জনের হয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র নেই বা তারা সেটি ব্যবহার করেননি।