ভ্যাকসিন ছাড়া করোনা প্রতিরোধের উপায় বাতলে দিলে ডব্লিউএইচও প্রধান

ভ্যাকসিন ছাড়া করোনা প্রতিরোধের উপায় বাতলে দিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস অ্যাধানম গেব্রিয়াসুস। সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বলেন, করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ শুধুমাত্র তখনই সম্ভব যদি বিভিন্ন দেশের সরকার জনগোষ্ঠীর ভেতর সংক্রমণ রোধে ব্যবস্থা নেয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস অ্যাধানম গেব্রিয়াসুস বলেছেন, ভ্যাকসিন ছাড়া এই ভাইরাস নিয়ন্ত্রণের মূল উপায় হলো: হাত ধোয়া, দূরত্ব বজায় রাখা, মাস্ক পরা। সেই সঙ্গে কঠোরভাবে পরীক্ষা করা, চিহ্নিত করা এবং আলাদা করে ফেলা।

তিনি বলছেন, পুনরায় নিরাপদে স্কুল খোলার আগে সরকারকে জনগোষ্ঠীর ভেতর রোগটির সংক্রমণ ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণে আনার সব ব্যবস্থা অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে।

 

বৈশ্বিক করোনাভাইরাসে আক্রান্তের ঘটনা ২ কোটি ছাড়িয়ে গেল

বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা ২ কোটি ছাড়িয়ে গিয়েছে। সংক্রমণ দ্রুত গতিতে ছড়াচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয় জানাচ্ছে, মঙ্গলবার আন্তর্জাতিকমান সময় ৬টা পর্যন্ত বৈশ্বিকভাবে আক্রান্তের সংখ্যা ২ কোটি ৮৯ হাজার ৬২৪-এ পৌঁছায়। মৃতের সংখ্যা পৌঁছায় ৭ লক্ষ ৩৬ হাজার ২০৮-এ।

যুক্তরাষ্ট্রে সর্বোচ্চ আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা ছিল ৫০ লক্ষের উপরে। দেশটি ১ লক্ষ ৬০ হাজার জনের মৃত্যুর খবরও দেয়।

একবার কমে যাওয়া এবং সামাজিক বিধিনিষেধ শিথিল করার পর অস্ট্রেলিয়া, ইসরায়েল এবং জাপানের মত দেশে সংক্রমণ আবার বাড়ছে।

ভারত, কলোম্বিয়া’র মত অন্যান্য দেশে, দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা কোনরকম উল্লেখযোগ্য পতন ছাড়াই বেড়ে চলেছে। ভারতে এখন যুক্তরাষ্ট্রের থেকেও দ্রুত গতিতে সংক্রমণ বেড়ে চলেছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান তেদ্রোস আদহানোম ঘেব্রেইসাস সোমবার করোনাভাইরাসের বৈশ্বিক বিস্তার নিয়ে সতর্কতা ব্যক্ত করেছেন।

জাপানে, নতুন করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা পৌঁছায় ১ হাজার ৬৬-জনে। এর মধ্যে সোমবার ৫ জন মৃত্যুবরণ করেন।

সোমবার ৮৩৯ জনের আক্রান্ত হওয়ার খবর নিশ্চিত করা হয়। ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ায় ৫০ হাজার ৪৬১-তে।

জাপানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, সোমবার পর্যন্ত মারাত্মক উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি থাকা ১৬২ জন রোগীর চিকিৎসায় ভেন্টিলেটর ব্যবহার করা হচ্ছে বা ইন্টেনসিভ কেয়ার ইউনিটে রাখা হয়েছে।