ভূমিকম্প দূর্গত তুরস্কে রাতব্যাপী উদ্ধার কর্মকাণ্ড অব্যাহত

তুরস্ক ও গ্রীসের মধ্যবর্তী আজিয়ান সাগরে ভূমিকম্প ও সুনামির আঘাতে উভয় দেশে অন্তত ২৬ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। তুরস্কে, উদ্ধারকারীরা ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনের ভেতরে আটকে পড়া লোকজনের সন্ধানে সারা রাত ধরে উদ্ধার কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন।

গতকাল অপরাহ্নে, ৭ মাত্রার এই শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এই ভূমিকম্পের ফলে সুনামি ঢেউয়েরও সৃষ্টি হয়।

তুরস্ক ও গ্রীসের কর্তৃপক্ষগুলো, ভূমিকম্পের আঘাতে মোট প্রায় ৮শ ১২ জন আহত হয়েছেন বলে জানায়।

প্রায় ৪ হাজার উদ্ধারকর্মী, সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত পশ্চিম তুরস্কের ইযমির প্রদেশে গিয়ে পৌঁছেছেন।

স্থানীয় টেলিভিশন, এপর্যন্ত প্রায় ৭০ ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানায়।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে, ভূমিকম্প পরবর্তী কম্পন অব্যাহত রয়েছে। তুরস্কের সরকার, ভেঙ্গে পড়ার সম্ভাবনা থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোতে প্রবেশ না করতে স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক করছে।

করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে নতুন প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার পরীক্ষা চালাচ্ছে জাপান

জাপান সরকার, অর্থনীতিকে সমর্থন দেয়ার পাশাপাশি ভাইরাসের বিস্তার রোধে নানা ধরণের পদক্ষেপ পরীক্ষা করে দেখছে। সম্প্রতি নতুন সংক্রমণের দৈনিক সংখ্যা কিছুটা হ্রাস পাওয়ার মাঝে এই পদক্ষেপ নেয়া হল।

উল্লেখ্য, গত দু’মাস ধরে দৈনিক ১ হাজারেরও কম সংক্রমণের খবর জানা যাচ্ছে, যা গ্রীষ্মের মাঝামাঝি সময়ে সংক্রমণ চূড়ায় ওঠা থেকে কম।

তবে, সাম্প্রতিক এই সংখ্যা মে মাসের শেষের দিকে সারা দেশ থেকে জরুরি অবস্থা তুলে নেয়ার সময় থেকে এখনও অনেক বেশি।

এপর্যন্ত সর্বমোট ১ লক্ষ ১ হাজার ব্যক্তি ইতিমধ্যে সংক্রমিত হয়েছেন। আর মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৭শ’র বেশি।

এর আগে গতকাল সরকার, চীন ও দক্ষিণ কোরিয়াসহ মোট নয়টি দেশ ও অঞ্চল থেকে আসা ভ্রমণকারীদের জন্য জাপানে প্রবেশের বিধিনিষেধ শিথিল করার সিদ্ধান্ত নেয়।

এছাড়া, তারা, ফেরত আসা জাপানের বাসিন্দাদের জন্যও কোয়ারেন্টাইন বা সঙ্গনিরোধ কার্যক্রমও শিথিল করছে।

প্রধানমন্ত্রী সুগা ইয়োশিহিদে বলেন, “করোনাভাইরাসকে মোকাবিলার জন্য যে বৈজ্ঞানিক জ্ঞান অর্জন করা হয়েছে, তা ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা এবং সামাজিক কার্যক্রমের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করব।”