পূর্ব ও পশ্চিম জাপানে প্রবল বর্ষণের সম্ভাবনা

আবহাওয়া কর্মকর্তারা বলছেন, জাপানের উপরে থাকা একটি দীর্ঘায়িত মৌসুমী বৃষ্টিবলয় স্থানীয় বজ্রমেঘের সৃষ্টি করছে যা পশ্চিম ও পূর্ব জাপানের উপর রবিবার পর্যন্ত প্রবল বর্ষণ ঘটাবে। তারা সতর্ক করে দিয়েছেন যে এই ভারী বর্ষণের ফলে ভূমিধ্বস এবং নদীর পানি উপচে পড়তে পারে।

আবহাওয়া এজেন্সি বলছে, অস্থিতিশীল বায়ুমণ্ডলীয় পরিস্থিতির কারণে কানসাই, তোকাই এবং কান্তো-কোশিন অঞ্চলের উপর শনিবার বৃষ্টিমেঘের সৃষ্টি হয়েছে।

আবহাওয়া কর্মকর্তারা পশ্চিম ও পূর্ব জাপান জুড়ে রবিবার পর্যন্ত প্রতি ঘন্টায় ৫০ মিলিমিটার বা তার চেয়ে বেশি বৃষ্টির পূর্বাভাষ দিয়েছেন। সোমবার সকাল পর্যন্ত আরও বেশি বর্ষণ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পূর্বাভাষকারীরা ভূমিধ্বস, নদীর পানি উপচে পড়া, নীচু জমি বন্যায় প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি বজ্রপাত ও ঝড়ো হাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছেন। তারা বলছেন, কিছু কিছু স্থানের মাটি দীর্ঘায়িত মৌসুমী বৃষ্টি বলয়ের কারণে সৃষ্ট বর্ষণে সিক্ত থাকায় এমনকি আরও স্বল্প পরিমাণের বৃষ্টি দুর্যোগ ঘটাতে পারে।

মানুষ আর পুরনো জীবনে ফিরতে পারবে না: ডব্লিউএইচও

করোনা ভাইরাস বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষের জীবনকে ব্যাহত করেছে। পাল্টে দিয়েছে জীবনযাপন পদ্ধতি। কিন্তু মানুষ চাইলেও আর তাদের পুরনো অভ্যাসে ফিরতে পারবে না।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এমনটি জানিয়েছে।

ডব্লিউএইচও মহাপরিচালক টেদ্রোস আধানম গেব্রেয়াসুস বলেন, ‘মানুষ তার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে চাইছে, কিন্তু আমরা আর পুরনো অভ্যাসে ফিরে যেতে পারবো না।’

তিনি বলেন, ‘মহামারিটি ইতোমধ্যে আমাদের জীবনযাপনের পদ্ধতি পরিবর্তন করে দিয়েছে। নতুনভাবে আমাদের নিরাপদে বাঁচার উপায় খুঁজে বের করতে হচ্ছে। আমরা যদি নিরাপদে থাকতে চাই তাহলে নতুন অবস্থার সঙ্গে আমাদের খাপ খাওয়াতে হবে।’

সম্প্রতি লোকেরা রেস্টুরেন্ট, বার ও নাইটক্লাবগুলোতে যাচ্ছে। যেখানে ভাইরাস সংক্রমণের সম্ভাবনা থাকে।

ডব্লিউএইচও মহাপরিচালক বলেন, ‘আমাদের এটা অবশ্যই মনে রাখা উচিত, বেশিরভাগ মানুষ এখনও ভাইরাসটিতে সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন। আপনি যেখানে বাস করছেন সেখানে সংক্রমণ কম মানে আপনি কিন্তু নিরাপদ নন। তাই আপনাকে সাবধানে থাকতে হবে।’ খবর: ইউএন নিউজ