জাপানের কিছু অংশে ভারী বর্ষণ অব্যাহত আছে

মৌসুমি একটি বৃষ্টিপাত বলয় পশ্চিম ও পূর্ব জাপানের অংশ বিশেষের উপর হুমকি হয়ে ঝুলে থাকা অবস্থায় জাপানের কিছু অংশে প্রচণ্ড বর্ষণ অব্যাহত আছে।

জাপানের আবহাওয়া এজেন্সি কাদার ধ্বস নামার সম্ভাবনা ও বন্যা দেখা দেয়া নিয়ে এলাকাবাসীদের সতর্ক করে দিচ্ছে।

পশ্চিম থেকে পূর্ব জাপান বরাবর বিস্তৃত এলাকা জুড়ে শুক্রবার পর্যন্ত ভারী বর্ষণ ও বজ্রপাত আঘাত হানা প্রত্যাশা করা হচ্ছে। কিছু কিছু এলাকায় স্থানীয় বর্ষণ ঘণ্টায় ৫০ মিলিমিটারের বেশি পরিমাণ বৃষ্টিপাত নিয়ে আসতে পারে।

ভারী বৃষ্টিপাত অন্তত পক্ষে রবিবার পর্যন্ত বজায় থাকবে। কর্মকর্তারা কাদার ধ্বস নামা ও নদীর পানি উপচে পড়া ছাড়াও বজ্রপাত আঘাত হানা এবং টর্নেডো সহ দমকা হাওয়া নিয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছে।

কিউশু’র অংশ বিশেষ এবং গিফু ও নাগানো জেলার মত ইতিমধ্যে মুষলধারার বর্ষণে বিধ্বস্ত এলাকাগুলোতে আরও ক্ষয়ক্ষতির খুবই উচ্চ মাত্রার ঝুঁকি বজায় আছে। আবহাওয়া কর্মকর্তারা অন্ধকার হয়ে আসার পূর্বে আগে থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়া এবং নিরাপত্তা পদক্ষেপ নিয়ে রাখার অনুরোধ জনগণের প্রতি জানাচ্ছেন।

করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে মস্তিষ্ক: গবেষণা

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের মহামারিতে আক্রান্ত হয়েছেন বিশ্বের অসংখ্য মানুষ। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন অনেকেই। তবে গবেষকরা বলছেন, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে মস্তিষ্কে বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে।

বিবিসি জানায়, করোনা ভাইরাসের কারণে মস্তিষ্কের বড় ধরনের অসুখ হতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ডাক্তাররা হয়তো এই রোগ শনাক্তই করতে পারছেন না।

যুক্তরাজ্যে ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন বা ইউসিএলের গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে। কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত ৪৩ জন রোগীর ওপর গবেষণা চালিয়ে গবেষকরা দেখেছেন, করোনা ভাইরাসের কারণে স্নায়ুজনিত গুরুতর সমস্যা দেখা দিতে পারে। তার মধ্যে রয়েছে ব্যথা, মানসিক বৈকল্য এবং মানসিক বিকারজনিত প্রলাপ।

ওই গবেষণায় দেখা গেছে, এসব রোগীর মস্তিষ্ক হয় ঠিক মতো কাজ করেনি, স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন অথবা মস্তিষ্কে অন্যান্য ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে।

ইউসিএল-এর ইন্সটিটিউট অফ নিউরোলজির ড. মাইকেল জান্ডি বলেছেন, ১৯১৮ সালের স্প্যানিশ ইনফ্লুয়েঞ্জা মহামারির পর ১৯২০ ও ১৯৩০ এর দশকে এনসেফালাইটিস লেথারজিকার মতো যেসব মানসিক সমস্যা হয়েছিল সেরকম কিছু করোনা ভাইরাস মহামারির পরেও হবে কিনা সেটা দেখার বিষয়।