• Bangla Dailies

    Prothom alo
    undefined
    Songbad
    daily destiny
    shaptahik
  • Weeklies

  • Resources

  • Entertainment

  • Sports Links

  • করোনা: বাতাসে ভেসে থাকার তথ্য গোপন, ডব্লিউএইচওকে চ্যালেঞ্জ

    করোনা ভাইরাস নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) একেক সময় একেক রকম ব্যাখ্যা নিয়ে বিভ্রান্ত হচ্ছে মানুষ। এরই মধ্যে এই স্বাস্থ্যটিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন ২৩৯ জন গবেষক।

    তারা বলছেন, করোনা ভাইরাস যে বাতাসে ভেসে থাকার মাধ্যমে ভয়াবহ ঝুঁকি তৈরি করছে তা নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কোনো সতর্কতা জারি করতে পারেনি।

    লস অ্যাঞ্জেলস টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন কেবল মাত্র দুই ধরনের সংক্রমণের মাধ্যমকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে।

    একটি হলো আশপাশের সংক্রমিত ব্যক্তির কাছ থেকে শ্বাস প্রশ্বাসের ফোঁটা বা ড্রপলেটের মাধ্যমে অন্যের শরীরে ভাইরাস ঢুকে যাওয়া। অপরটি হচ্ছে কোনো কিছুর দূষিত পৃষ্ঠ স্পর্শ করার পর চোখ, নাক বা মুখ স্পর্শ করার মাধ্যমে সংক্রমিত হওয়া।

    তবে বিশেষজ্ঞরা যুক্তি দেখিয়ে বলছেন, এসব কারণ ছাড়াও তৃতীয় আরেকটি মাধ্যমে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। কিন্তু সেটাকে উপেক্ষা করছে ডব্লিউএইচও।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, অতি ক্ষুদ্র কণা বা অ্যারোসোল কণা দীর্ঘ সময় ধরে বাতাসে ভেসে থাকতে পারে। এমনকি এসব কণা ছয় ফুট পর্যন্ত ভেসে থাকে। ফলে যে সব জায়গায় বাতাস কম বা আবদ্ধ, সে সব স্থানগুলো বিপজ্জনক করে তোলে করোনা ভাইরাস। এসব জায়গায় ১ দশমিক ৮ মিটার দূরত্ব রেখেও কোনও লাভ হয় না। যেমন- ঘর, যাত্রীবাহী বাস, অন্যান্য যানবাহন ইত্যাদি।

    অথচ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে ভাইরাস সংক্রমণের এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না। তারা শুধু বলছে এটি কেবল ইনটিউবেশনের মতো চিকিৎসা কার্যক্রমের সময় ছড়াতে পারে।

    অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনের কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি ও পরিবেশ প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক লিডিয়া মোরাওস্কা বলেছেন, ‘করোনা ভাইরাস বাতাসে ভেসে থাকার বিষয়টি আমরা শতভাগ নিশ্চিত।’

    বাতাসে ভাইরাস ভেসে থাকার বিষয়টি গুরুত্ব না দেওয়ায় তিনি জাতিসংঘের সংস্থাটিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে একটি খোলা চিঠি লিখেন।

    যেখানে ৩২টি দেশের মোট ২৩৯ জন গবেষক স্বাক্ষর করেছেন। যা পরের সপ্তাহে একটি বৈজ্ঞানিক জার্নালে প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে।

    এই চিঠিতে স্বাক্ষরকারী কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়নবিদ জোসে জিমনেজ বলেন, ‘অ্যারোসোল সংক্রমণ মানুষকে আতঙ্কিত করার জন্য নয়, আর ভাইরাস যে পরিবর্তন হয়েছে এমনটিও নয়। আমরা মনে করি ভাইরাসটি এইভাবেই (বাতাসে) সংক্রামিত হয়েছে। সুতরাং বিষয়টি জেনে পদক্ষেপ নিয়ে আমরা নিজেদের রক্ষা করতে পারি।’

    কুমামোতো জেলায় বন্যায় ২০ জনের প্রাণহানি

    দক্ষিণ পশ্চিম জাপানের কুমামোতো জেলায়, প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট বন্যা ও কাদা ধ্বসে মৃতের সংখ্যা ২০ জনে পৌঁছেছে। কর্তৃপক্ষ, ১৪ জনের মধ্যে প্রাণের অস্তিত্বের কোন গুরুতর লক্ষণ নেই এবং ১৪ ব্যক্তি নিখোঁজ রয়েছে বলে জানায়।

    গতকালের রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাতের ফলে অনেকগুলো আবাসিক এলাকা প্লাবিত হয়ে গেলেও বর্তমানে বৃষ্টির পরিমাণ কমে এসেছে।

    দুটি নদীর ১১টি স্থান প্লাবিত হয়ে গেছে।

    আজ হিতোইয়োশি শহর, ৯ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করায় জেলাটিতে মৃতের মোট সংখ্যা ২০ জনে পৌঁছেছে।

    কর্তৃপক্ষগুলো, আত্মরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা কয়েকজন বয়োজেষ্ঠ্য ব্যক্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাটি থেকে হাসপাতালে স্থানান্তর করতে সারা রাত ধরে কাজ করেন বলে জানায়।

    উল্লেখ্য, বন্যা ও কাদা ধ্বসে সাগারা গ্রামসহ জেলার প্রায় ৩০টি শহর বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।