• Bangla Dailies

    Prothom alo
    undefined
    Songbad
    daily destiny
    shaptahik
  • Weeklies

  • Resources

  • Entertainment

  • Sports Links

  • খালেদা জিয়ার ছবি ব্যবহার করতে পারবে না শরিকরা : বিএনপিকে ইসির চিঠি

    পোস্টার, ব্যানার বা অন্য কোনো প্রচার উপকরণে দলীয় প্রধান হিসেবে বেগম খালেদা জিয়ার ছবি ব্যবহার করতে পারবেন না বিএনপির সঙ্গে জোটভুক্ত নিবন্ধিত দলের প্রার্থীরা। গতকাল বুধবার বিকালে নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে এই কথা জানিয়ে বিএনপিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এর আগে গত সপ্তাহে এই বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে বিএনপি থেকে ইসিকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। চিঠিতে বিএনপি থেকে জানতে চাওয়া হয়-ঐক্যফ্রন্টের শরিক দলগুলোর কেউ কেউ দলীয় প্রধান হিসেবে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছবি ব্যবহার করতে চায়।

    বিএনপিকে লেখা ইসির চিঠিতে বলা হয়েছে-গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পোস্টার বা ব্যানারে নিজের ছবি ও প্রতীক ছাড়া অন্য কোনো ছবি ছাপাতে পারবেন না। কোনো প্রার্থী নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মনোনীত হলে তিনি নিজের ছবি ও প্রতীকের পাশাপাশি দলীয় প্রধানের ছবি ছাপাতে পারবেন।

    চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল জোটভুক্ত হয়ে নির্বাচন করলে তাদের প্রার্থী জোটভুক্ত অন্য দলের প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে। কিন্তু নিজ দলের প্রধানের ছবি ছাড়া অন্য কোনো দলের প্রধানের ছবি ব্যবহার করতে পারবে না।

    এবারের সংসদ নির্বাচনে বিএনপি, গণফোরাম, জেএসডি, কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগ, নাগরিক ঐক্যসহ আরও বেশ কিছু দল নিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হয়েছে। এদের মধ্যে নাগরিক ঐক্য ও জামায়াতে ইসলামী অনিবন্ধিত দল হওয়ায় তারা সরাসরি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছে। একই সঙ্গে ২০ দলীয় জোটের নিবন্ধিত দল এলডিপিসহ ছোট ছোট আরও কয়েকটি দলের প্রার্থীরাও ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছে।

    বৃহৎ আইটি কোম্পানি নিয়ন্ত্রণের জন্য নিয়মাবলী কঠোর করবে জাপান

    জাপান সরকার বলছে, দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করা বহুজাতিক আইটি কোম্পানিগুলোর উপর নজরদারি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে তারা। গুগল, এপল, ফেইসবুক এবং আমাজনের মত ব্যাপক বাজার শক্তি থাকা কোম্পানিগুলোকে নিয়ন্ত্রণের জন্য মৌলিক কিছু নিয়মাবলী প্রণয়ন করেছে সরকার।

    সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, ই-কমার্স এবং বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে তথাকথিত “গাফা” এবং অন্যান্য উচ্চ প্রযুক্তির কোম্পানিগুলো ব্যবহারকারীর বিপুল পরিমাণ ব্যক্তিগত ডাটা বা উপাত্ত জমা করেছে।

    তারা বলছে, এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে অনাকাঙ্ক্ষিত একক নিয়ন্ত্রণের পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটতে পারে।

    নতুন পরিকল্পনার আওতায় বর্তমান ব্যবস্থা পর্যালোচনা করে ব্যক্তিগত উপাত্তের অযথার্থ ব্যবহারের জন্য শাস্তি নিশ্চিত করতে বিশ্বাসভঙ্গ আইন প্রয়োগের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক কালে উচ্চ পর্যায়ের কিছু উপাত্ত ফাঁস হওয়ার প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত এলো।

    সরকার এটিও চাইছে যে শক্তিশালী কোম্পানিগুলো যেন একতরফা চুক্তি সংশোধনের মত অন্যায্য বাণিজ্যিক চুক্তি জাপানি কোম্পানিগুলোর উপর চাপিয়ে দিতে না পারে।