• Bangla Dailies

    Prothom alo
    undefined
    Songbad
    daily destiny
    shaptahik
  • Weeklies

  • Resources

  • Entertainment

  • Sports Links

  • খালেদা-হাওলাদারের প্রার্থিতা নিয়ে রিটের আদেশ আজ

    তিনটি আসনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিটের আদেশ আজ।

    মঙ্গলবার বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি ইকবাল কবিরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ বিষয়ে আদেশ দেবেন।
    এর আগে গতকাল খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিটের ওপর শুনানি শেষে আদেশের জন্য এ দিন নির্ধারণ করেন হাইকোর্ট।

    খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এজে মোহাম্মদ আলী, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খালেদা জিয়া বগুড়া-৬ ও ৭ এবং ফেনী-১ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেন। রিটার্নিং কর্মকর্তারা তার মনোনয়নপত্র বাতিল করে দেন। পরে ইসিতে আপিলে সংখ্যাগরিষ্ঠের সিদ্ধান্তে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

    এ দিকে প্রার্থিতা ফিরে পেতে জাতীয় পার্টির প্রাক্তন মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার ও বিএনপি নেতা মীর মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের রিটের আদেশও আজ। বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো. সোহরাওয়ারদীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ বিষয়ে আদেশ দেবেন।

    কার্লোস গোন অভিযুক্ত এবং পুনরায় গ্রেফতার

    টোকিও’র কৌঁসুলিরা নিস্‌সান মোটরের সাবেক চেয়ারম্যান কার্লোস গোনকে তার অতীতের বেতনভাতা কয়েক কোটি ডলার কম দেখানোর জন্য অভিযুক্ত করেছেন। তারা গত তিন বছরের বেতনভাতা সম্পর্কিত একই অভিযোগে তাকে পুনরায় গ্রেফতারও করেছেন।

    গোন ১৯শে নভেম্বর থেকে আটক রয়েছেন। কৌঁসুলিরা বিশ্বাস করেন যে, ২০১৪ অর্থ-বছর পর্যন্ত পাঁচ বছর সময় ধরে নিস্‌সানের আর্থিক প্রতিবেদনে গোন তার নির্বাহি বেতনভাতা প্রায় পাঁচশ কোটি ইয়েন বা চার কোটি ৪০ লাখ ডলার কম দেখিয়েছেন।

    সর্বশেষ অনুসন্ধানের পর নিস্‌সানের সাবেক প্রতিনিধি পরিচালক গ্রেগ কেলিকেও গোনের সাথে ষড়যন্ত্র করার জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে এবং তাকেও পুনরায় গ্রেফতার করা হয়েছে।

    এই ঘটনায় জড়িত থাকার জন্য কৌঁসুলিরা একই দিন নিস্‌সান মোটর কোম্পানিকেও অভিযুক্ত করেছেন।

    তারা বিশ্বাস করেন যে গোন এই ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলেন যাতে দলিলপত্রে যে পরিমাণ অর্থ লিপিবদ্ধ করা রয়েছে এবং বাস্তবিকভাবে তাকে যে অর্থ পরিশোধ করা হয়েছিল তার মধ্যে যে ব্যবধান তা তিনি অবসর গ্রহণের পর পেতে পারেন।

    এই বিষয়টির সাথে ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো জানিয়েছে যে দলিলপত্রের অনেকগুলোতেই গোনের স্বাক্ষর রয়েছে।

    তারা সন্দেহ করছেন, তাকে যে বৃহৎ অংকের বেতনভাতা দেয়া হত তা নিয়ে সম্ভাব্য সমালোচনা এড়াতে গোন এটা করেছিলেন।

    এদিকে, জাপানের সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ তদারকি কমিশন গোনের ভাতা কম করে দেখানোর জন্য গোন, কেলি এবং নিস্‌সান মোটরের বিরুদ্ধে ফৌজদারী অভিযোগ দায়ের করেছে।

    সূত্রগুলো জানায়, তারা দু’জনই অন্যায় কিছু করার কথা অস্বীকার করেছেন। তারা বলছেন যে অবসর পরবর্তী ভাতা গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি।