শিশু কল্যাণমূলক তালিকায় ২০ তম স্থানে রয়েছে জাপান

বিশ্বের ধনী দেশগুলোর মধ্যে শিশু কল্যাণ বিষয়ক ইউনিসেফ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ৩৮টি দেশের মধ্যে জাপান ২০ তম স্থানে রয়েছে।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং উন্নয়ন সংগঠনের সদস্য ধনী দেশগুলোতে শিশু কল্যাণ বিষয়টি মূল্যায়ন করে দেখে ইউনিসেফ। মানসিক ও শারীরিক কল্যাণের পাশাপাশি বাঁচার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা – এই তিন মাত্রার উপর ভিত্তি করে ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

তালিকার শীর্ষে রয়েছে নেদারল্যান্ডস এবং এর পরেই রয়েছে ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইজারল্যাণ্ড ও ফিনল্যান্ড।

শারীরিক স্বাস্থ্যের দিক থেকে বিচার করলে জাপান তালিকার শীর্ষে থাকলেও মানসিক সুস্থতার ক্ষেত্রে জাপান ছিল তালিকায় সর্বনিম্নে থাকা দেশের মাত্র এক স্থান আগে। শারীরিক স্বাস্থ্যের মাপকাঠি ছিল অতিরিক্ত ওজন এবং শিশুদের মধ্যে মৃত্যুর হার। ১৫ বছর বয়সের কিশোর কিশোরীদের জীবন নিয়ে সন্তুষ্টি এবং তাদের মধ্যেকার আত্মহত্যার হারের উপর ভিত্তি করে মানসিক স্বাস্থ্য মূল্যায়ন করা হয়েছিল।

দক্ষতার ক্ষেত্রে জাপানের স্থান হল ২৭, শিক্ষা ক্ষেত্রে পারদর্শিতা বেশি হলেও সামাজিক দক্ষতার ক্ষেত্রে তারা পটু নয়।

করোনাভাইরাস বিস্তার লাভের আগে সর্বশেষ জরিপটি পরিচালনা করা হয়েছিল বলে ইউনিসেফ জানায়।

তাইফুন হাইশেন দক্ষিণ-পশ্চিম জাপানের দিকে এগিয়ে আসছে

জাপানের আবহাওয়া এজেন্সি জানিয়েছে যে একটি শক্তিশালী তাইফুন দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের দিকে এগিয়ে আসছে এবং শনিবার রাত থেকে সোমবারের মধ্যে সেটা ভূমিতে আঘাত হানতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আবহাওয়া কর্মকর্তারা তাইফুন হাইশেন আঘাত হানার আগেই নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছেন।

এজেন্সি জানাচ্ছে, তাইফুন হাইশেন শুক্রবার বিকেল ৩টার সময়ে জাপানের দক্ষিণে সাগরের উপরে অবস্থান করছে এবং ঘণ্টাপ্রতি ১৫ কিলোমিটার গতিতে সেটা উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। তাইফুনের কেন্দ্রের বায়ুমণ্ডলীয় চাপ হচ্ছে ৯২৫ হেক্টোপ্যাসকেল। এর কেন্দ্রের কাছে ঘণ্টাপ্রতি সর্বোচ্চ ১৮০ কিলোমিটারেরও বেশি বেগে বাতাস প্রবাহিত হচ্ছে এবং ঝড়ো হাওয়ার গতি ঘণ্টাপ্রতি ২৫২ কিলোমিটার পর্যন্তও পৌঁছাচ্ছে।

কর্মকর্তারা বলছেন, এই তাইফুন ওকিনাওয়া জেলায় শনিবার রাত থেকে রবিবারের মধ্যে আঘাত হানতে পারে এবং একই শক্তি ধরে রেখে কাগোশিমা জেলার আমামি অঞ্চলের দিকে সোমবার অগ্রসর হবে।