ভ্যাকসিন কাজ করবে এমন কোনো গ্যারান্টি নেই: হু  

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের জন্য ভ্যাকসিনের দিকে তাকিয়ে আছে পুরো বিশ্ব। আর সেই ভ্যাকসিন নিয়ে এবার নিরাশার কথা শোনালেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রেয়াসুস।

মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বলেন, যেসব ভ্যাকসিন তৈরি হচ্ছে, সেগুলো কাজ করবে এমন গ্যারান্টি নেই। যত বেশি মানুষের উপর টেস্ট করা হবে, তত বেশি নিরাপত্তার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বে কমপক্ষে ২০০টি ভ্যাকসিন নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে গবেষণা চলছে। কোনোটা ক্লিনিক্যাল ও কোনোটা প্রি-ক্লিনিক্যাল টেস্টিং-এর পর্যায়ে রয়েছে। টেড্রোস আধানম গেব্রেয়াসুসের মতে, এই ভ্যাকসিনগুলো মধ্যেই কিছু সফল হবে আবার কিছু ব্যর্থ হবে।

জাপানের প্রশান্ত মহাসাগর উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে প্রচণ্ড শক্তিশালী মৌসুমি ঝড় ডলফিন

শক্তিশালী মৌসুমি ঝড় ডলফিন এখন জাপানের দিকে এগিয়ে আসছে এবং বৃহস্পতিবার কিংবা শুক্রবার পূর্ব ও উত্তর জাপানকে এটা প্রভাবিত করতে পারে। আবহাওয়া কর্মকর্তারা সতর্ক করে দিয়েছেন যে দেশের প্রশান্ত মহাসাগর উপকূলে প্রচণ্ড হাওয়া ও ভারী বর্ষণ আঘাত হানতে পারে।

আবহাওয়া এজেন্সি বলছে স্থানীয় সময় বুধবার বিকেল ৩টায় ঝড়টি হাচিজোজিমা দ্বীপের ১২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছিল। ঘণ্টায় প্রায় ২০ কিলোমিটার গতিবেগে সেটা উত্তর-পূর্ব দিকে সরে যাচ্ছিল।

কেন্দ্রে ৯৮০ হেক্টোপ্যাসকেল বায়ুচাপ ধারণ করা ঝড়টি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১০৮ কিলোমিটার গতিবেগে বয়ে যাওয়া বাতাস জড়ো করছিল।

তোকাই অঞ্চলের প্রশান্ত মহাসাগর উপকূল থেকে তোহোকু অঞ্চল পর্যন্ত এলাকায় শুক্রবার পর্যন্ত ভারী বর্ষণ প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

আবহাওয়া কর্মকর্তারা বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় তোকাই অঞ্চল ও ইযু দ্বীপে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত, কান্তো-কোশিন অঞ্চলে ১৫০ মিলিমিটার এবং তোহোকু অঞ্চলে ৮০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুরু করে ২৪ ঘণ্টায় কান্ত-কোশিন অঞ্চলে ২০০ থেকে ৩০০ মিলিমিটার, তোহোকু অঞ্চল ও ইযু দ্বীপে ১০০ থেকে ২০০ মিলিমিটার এবং তোকাই অঞ্চলে ৫০ থেকে ১০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

এছাড়া তোকাই থেকে তোহোকু অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় প্রচণ্ড বেগে বাতাস বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও আছে। উপকূল এলাকায় উত্তাল ঢেউ দেখা দিতে পারে। বৃহস্পতিবার ইযু দ্বীপে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৯০ কিলোমিটার গতিবেগে, কান্ত অঞ্চলে ঘণ্টায় ৮২ কিলোমিটার গতিবেগে এবং তোহোকু ও তোকাই অঞ্চলে ঘণ্টায় ৭২ কিলোমিটার গতিবেগে প্রচণ্ড বাতাস বয়ে যেতে পারে।

সম্ভাব্য কাদার ধ্বস, বন্যা, বজ্রপাত, টর্নেডো ও শিলাবৃষ্টি নিয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান লোকজনের প্রতি জানানো হয়েছে।