টিকা প্রস্তুত হওয়ার আগে ২০ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হতে পারেঃ ডব্লিউএইচও

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই ইঙ্গিত দিয়েছে যে, টিকা বাজারে আসার আগে করোনাভাইরাসের সংক্রমণে মোট ২০ লক্ষের মত মানুষের মৃত্যু ঘটতে পারে।

ডব্লিউএইচও’র স্বাস্থ্য বিষয়ক জরুরি কর্মসূচির প্রধান মাইকেল রায়ান, শুক্রবার জেনেভায় সাংবাদিকদের সাথে এই বিষয়ে কথা বলেন।

রায়ান বর্তমানে মৃত্যুর মোট সংখ্যা ১০ লক্ষের কাছাকাছি হওয়ার কথা উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, আগামী নয় মাসের মধ্যে টিকা পাওয়ার বাস্তবতার দিকে তাকালে ২০ লক্ষ মৃত্যু “শুধু কল্পনীয় নয় বরং দুর্ভাগ্যজনক ও দুঃখজনকভাবে এটি হবার সম্ভাবনাই বেশি।”

তিনি জোর দিয়ে বলেন যে এই সংখ্যা কমিয়ে আনার জন্য পরীক্ষা, রোগীর সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের খুঁজে বের করা, রোগীর যত্ন এবং সামাজিক দূরত্ব পালনের মত সম্ভাব্য সকল পদক্ষেপ নেয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

করোনাভাইরাস মোকাবিলা সংশ্লিষ্ট ডব্লিউএইচও’র প্রযুক্তি প্রধান মারিয়া ভান কেরখোভ সতর্ক করে দিয়ে বলেন যে অনেক ইউরোপীয় দেশের স্বাস্থ্য স্থাপনাগুলো এখন মারাত্মক চাপের মুখোমুখি হচ্ছে।

তিনি বলেন, ডব্লিউএইচও ক্রমবর্ধমান হারে লোকজনের হাসপাতালে ভর্তির পাশাপাশি ঐসব রোগীদের মাধ্যমে হাসপাতাল ও আইসিইউগুলোর শয্যা পূর্ণ হওয়ার গতিতে উদ্বিগ্ন।

বিদেশীদের জাপানে আগমন শিথিল করা হয়েছে

জাপান সরকার, আগামী মাসে সারা বিশ্বের দেশগুলো থেকে পর্যটক ছাড়া বিদেশী নাগরিকদের জাপানে আগমনের উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

গতকাল প্রধানমন্ত্রী সুগা ইয়োশিহিদেসহ মন্ত্রী পরিষদের অন্যান্য সদস্যদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত করোনাভাইরাস মোকাবিলায় গঠিত সরকারের টাস্কফোর্সের বৈঠকে উক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা, ব্যবসায়ী, চিকিৎসা পেশাজীবী, শিক্ষাবিদ ও ছাত্রসহ মধ্য এবং দীর্ঘমেয়াদী ভিসাধারী বিদেশী নাগরিকদের পর্যায়ক্রমে জাপানে প্রবেশের অনুমতি দেয়ার বিষয়ে একমত হন।

তবে এসকল বিদেশী নাগরিকদের ক্ষেত্রে তাদের গ্রহণ করা কোম্পানি বা সংস্থার মত স্পনসররা জাপানে প্রবেশের পর ১৪ দিনের সঙ্গনিরোধ নিশ্চিত করলেই কেবল জাপানে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হবে।

আবার, দৈনিক জাপানে প্রবেশের অনুমতি প্রদানের সংখ্যাও সীমিত রাখা হবে।