• Bangla Dailies

    Prothom alo
    undefined
    Songbad
    daily destiny
    shaptahik
  • Weeklies

  • Resources

  • Entertainment

  • Sports Links

  • Untitled Post

    Posted by admin on June 14
    Posted in Uncategorized 

    মাহে রমযান ও আমাদের ঈদ প্রস্ত্ততি

    হযরত মাওলানা মুফতি তকী উছমানী

    রমযান মাস মহান আল্লাহর অনন্ত রহমত ও বরকতের সেই ঋতুরাজ বসন্তকাল, যাতে বিশ্বচরাচরের মহান স্রষ্টার পক্ষ হতে দয়া ও অনুগ্রহের নানা বাহানা অন্বেষণ করা হয়, যে মাসে ঈমানের দৌলতে ধন্য মুমিনের উপর রহমতের বৃষ্টি মুষলধারায় বর্ষিত হয়। যে মাসে ক্ষমাশীল প্রভূ স্বীয় বান্দাদের পাপ মোচনের লক্ষ্যে সর্বদা ক্ষমার দুয়ার উন্মুক্ত করে দেন। জানি না এ মসে কত অসংখ্য-অগণিত মানুষকে মাগফেরাত করে জান্নাতের অধিবাসী হওয়ার শাহী ফরমান জারি করা হয়।

    মহান আল্লাহর পক্ষ হতে বিচ্ছুরিত আলোকরশ্মি, নূরের স্রোত আমাদের সম্মুখ দিয়ে অতিক্রান্ত হয়, কিন্তু আমরা অজ্ঞতা-অন্ধতার কারণে তার মাহাত্ম ও গুরুত্ব  বুঝি না। ফলে অতি বরকতপূর্ণ দামী মুহূর্তগুলোকে অবজ্ঞা-উপেক্ষা, গাফিলতি ও যাচ্ছেতাইভাবেই নিঃশেষ করে দিতে দ্বিধা বোধ করি না। হাদীসে বর্ণিত-‘ধ্বংস হোক সেই ব্যক্তি যে রমযান মাস পেল তারপরও তার গুণাহ মাফ হল না।’ সবার জন্য ক্ষমার দুয়ার উন্মুক্ত থাকার এই বিশেষ সময়েও যে ব্যক্তি নিজের গুনাহ ক্ষমা করাতে পারে না তবে তার অর্থ হবে এটাই  যে, সে ব্যক্তি নিজেকে খোদার রহমত হতে (নাউযুবিল্লাহ) নিজেকে স্বাধীন ও অমুখাপেক্ষী মনে করে। আর এই বেপরোয়া মানসিকতাই সবচেয়ে বিপদজনক বস্ত্ত, যার ব্যাপারে হযরত জিবরাঈল আ. ধ্বংসের বদদুআ করলেন আর নবীয়ে রহমত সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সমর্থনে আমীন বললেন।

    এই পরিপ্রেক্ষিতে আজকের মজলিসে সেই ধরনের কিছু অন্যায়-অবহেলার বিষয় উল্লেখ করাই উদ্দেশ্য, যা আমরা এই মুবারক মাসেও অব্যাহত রাখি। ভয় লাগে যে, আল্লাহ না করুক এই অবজ্ঞা-অবহেলার কারণে সেই ভয়াবহ হুমকি ও বদদুআর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হয়ে না যাই। (আল্লাহ এমন ফয়সালা না করুন)

    রমযান মাসে আমাদের সবচেয়ে ব্যাপক ও সীমাহীন অনৈতিক কর্ম এটাই যে, এই মুবারক মাসে নিজেদের দুনিয়াবি চাহিদা ও খরচের পরিধি সঙ্কুচিত করার পরিবর্তে আরো অধিক মাত্রায় বৃদ্ধি করে দেই। ব্যবসায়ী মহোদয়গণ তো এই মাসকে বিশেষ উপার্জনের মাস ঘোষণা দিয়ে রাত-দিন সেই ধ্যানেই মগ্ন থাকেন। অনেক সময় এই ধ্যান-মগ্নতার কারণে নামাযও ‘কুরবান’হয়ে যায়।

    ‘ঈদের প্রস্ত্ততি’ আমাদের জন্য এখন একটা বড় ধরনের ফিতনা। নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাআলা ‘ঈদুল ফিতর’কে মুসলমানদের জন্য আনন্দ-উৎসবের দিন হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। সর্বজনীন বাৎসরিক আনন্দের বিশেষ দিবস হিসেবে মনোনিত করেছেন। এমনকি এ বিষয়টিও শরীয়তে স্বীকৃত ও প্রমাণিত যে, এই দিনে কোনো উত্তম থেকে উত্তম পোশাক কেউ যদি সহজে লাভ করতে পারে সে যেন তা পরিধান করে। কিন্তু বর্তমানে এ উপলক্ষে ‘উত্তম পোশাকের’ অজুহাতে যে অসীম-অগণিত বেহুদা খরচের জোয়ার সৃষ্টি করা হয়, অন্যায়-অপব্যয়ের যে মহা প্লাবণ বইয়ে দেওয়া হয় এবং সেটাকে ঈদের অপরিহার্য অনুষঙ্গ বলে মনে করা হয় তার সঙ্গে দ্বীন ও শরীয়তের কোনো সম্পর্ক নেই।

     

    বর্তমান যুগে এ বিষয়টি ফরয-ওয়াজিব সাব্যস্ত করা হয়, (ঈদ পালনের জন্য) অতি আবশ্যকীয় জরুরি বিষয় মনে করা হয় যে, কোনো ব্যক্তির আর্থিক সচ্ছলতা থাকুক বা না থাকুক কিন্তু সে কোনো না কোনো উপায়ে পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের জন্য নিত্য-নতুন ডিজাইন ও ফ্যাশনেবল পরিধেয় সামগ্রীর ব্যবস্থা করবে। ঘরের প্রত্যেক সদস্যের জন্য জুতা-টুপি থেকে শুরু করে প্রতিটি জিনিস নতুন নতুন ক্রয় করবে। শুধু তাই নয় ঈদের প্রকৃত স্বাদ অনুভবের জন্য, ঘরের সাজ-সজ্জা ও শোভাবর্ধনের জন্য নিত্য-নতুন আসবাবপত্র ও আকর্ষণীয় ডিজাইনের ফার্নিচারের ব্যবস্থাও করা হয়। দূর-দূরান্তে অন্যান্য শহরে বসবাসকারী আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবের নিকট মূল্যবান গিফট ও দামি ঈদকার্ড প্রেরণ করা হয়। আর এসব কাজ এমন এক তীব্র প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতা নিয়ে সম্পন্ন করা হয় যে, কেউ যেন কারো থেকে পিছে পড়ে না যায়। কেউ যেন কারো কাছে কোনো ক্ষেত্রে হেরে না যায়।

    এসবের অনিবার্য পরিণতি এটাই হয় যে, একজন মধ্যম স্তরের উপার্জনক্ষম ব্যক্তির জন্য ‘ঈদের প্রস্ত্ততি’ একটি বাড়তি দুশ্চিন্তা ও আলাদা মাথাব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এরই ধারাবাহিকতায় যখন সে দেখে যে, হালাল উপার্জনের মাধ্যমে পরিবারের সবার চাহিদা ও আবদার পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না এবং বৈধ টাকা-পয়সা তার জন্য পর্যাপ্ত হচ্ছে না, তখন সে অবৈধ পথের সন্ধান করে। বিভিন্ন পন্থায় অন্যের পকেট মেরে টাকা-পয়সার ব্যবস্থা করে। যা দ্বারা সেই লাগামহীন চাহিদা ও অন্তহীন কুপ্রবৃত্তির পেট ভর্তি করে।

    এসব বাদ দিলেও ‘ঈদের প্রস্ত্ততি’র সবচেয়ে ন্যূনতম ক্ষতি তো এটাই যে, মহামূল্যবান ও বিশেষ করে শেষ দশকের রজনীগুলো-যা একান্ত নীরবে, নিরালা পরিবেশে আল্লাহর নিকট প্রার্থনা ও মুনাজাতের শ্রেষ্ঠতম সময়, খোদার সান্নিধ্য লাভের মোক্ষম সুযোগ ও অনন্য মুহূর্ত, তা বাজারের মধ্যে অতিবাহিত হয়ে যায়।

    এসব আলোচনার উদ্দেশ্য-আল্লাহ না করুন-কাউকে তিরস্কার করা, কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপন করা কিংবা সমালোচনার খাতিরে সমালোচনা করা নয়; বরং অন্তরের দরদ ও সহানুভূতির সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করে এ দাওয়াতী চিন্তা-চেতনা পেশ করা যে, এই অতি গুরুত্বপূর্ণ মাস আল্লাহ তাআলা কোন্ কাজের লক্ষ্যে সৃষ্টি করলেন, কী উদ্দেশ্যে এমন একটি শ্রেষ্ঠ মাস দান করলেন। আর আমরা সেটাকে কোন্ বেহুদা কাজে ব্যয় করি। অনর্থকভাবে সেটাকে বিনষ্ট করি।

    যদি আমাদের মধ্যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রদর্শিত পথ, শিক্ষা-দীক্ষা ও তার আদর্শের প্রতি আন্তরিক ভালোবাসা ও অনুরাগ থাকে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর শাফায়াত লাভের তপ্ত বাসনা অন্তরে জাগ্রত থাকে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বদদুআকে সত্যিকারভাবেই বিপদজনক মনে করে ভয় করি তাহলে জামার আঁচলে মুখ ঢেকে আমাদের হিসাব করা উচিত এবং অতীত গাফিলতি হতে খাঁটি মনে তওবা করে এই অঙ্গীকার উচিত যে, এই পবিত্র মাসে সকল গুনাহ থেকে বেঁচে থাকব। একনিষ্ঠ মনে আল্লাহর দিকে ফিরে আসব। রমযানের এই অতি মূল্যবান সময়গুলো আল্লাহর সন্তুষ্টির মধ্যেই ব্যয় করব। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে এ অঙ্গীকার পূরণ করার তাওফীক দান করুন। আমীন।

    অনুবাদ : মুহাম্মদ আনছারুল্লাহ হাসান

    এসো হে বিশ্বকাপ

    Posted by admin on June 14
    Posted in Uncategorized 

    এসো হে বিশ্বকাপ

    প্রতি বাংলা বর্ষপঞ্জি ঘুরে একবার করে দেখা দেয় বৈশাখ। সে তুলনায় বিশ্বকাপের জন্য অপেক্ষাটা আরেকটু বেশি। চার বছর পর পর দেখা মেলে একটা বিশ্বকাপের। অবশেষে সেই অপেক্ষার প্রহর ফুরালো। চার বছর ঘুরে আবার দুয়ারে এলো বিশ্বকাপ ফুটবল। আবার বিশ্ব মেতে উঠবে এক ফুটবল উন্মাদনায়। আবার দেশজুড়ে শুরু হবে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল নিয়ে উন্মাদনা, উড়বে পতাকা, রাস্তাঘাটে দেখা মিলবে নানান ধরনের জার্সি; কারণ শুরু হচ্ছে আজ থেকে বিশ্বকাপ।
    বিশ্বকাপ কেন গ্রেটেস্ট শো অন দ্য আর্থ?
    এ নিয়ে বিতর্ক চলতে পারে। অলিম্পিককেও বলা হয় ‘গ্রেটেস্ট শো অন দ্য আর্থ’। কিন্তু ফুটবল বিশ্বকাপ দাবি করে এই নামের যোগ্য অধিকারী তারাই। একটু অবাক লাগে। কারণ, ৩২টা দলকে নিয়ে এই আয়োজন পৃথিবী নামের গ্রহের সেরা আয়োজন কেন হবে! কারণ, এটা কেবল ৩২ দলের এক টুর্নামেন্ট নয়। এটা ২১১টি দেশের এক টুর্নামেন্ট।
    হ্যাঁ, এটাই সত্যি। ফিফার সদস্য সংখ্যা    জাতিসংঘের চেয়েও অনেক বেশি। জাতিসংঘের এখন সদস্য ১৯৩টি দেশ। সেখানে ফিফার সদস্য ২১১টি দল। আর এই ২১১টি দল নিয়েই কয়েক বছর আগে শুরু হয় প্রকৃত বিশ্বকাপ। বাছাইপর্ব নামে খেলা চলতে থাকে। আর যে বিশ্বকাপ আজ থেকে রাশিয়ায় হবে, ফিফার ভাষায় সেটা ‘ফাইনালস’। মানে, বিশ্বকাপ কেবলই এই একমাসের একটা আয়োজন নয়। এটা কয়েক বছর ধরে চলতে থাকা এক উত্সব। এই উত্সবের ভাগীদার আমাদের দেশও, এই উত্সবের ভাগীদার আমি-আপনি সকলে।
    তারপরও একটা প্রশ্ন প্রায়শ শোনা যায়, কেন বিশ্বকাপ নিয়ে এতো মাতামাতি?
    এই প্রশ্নটার এক কথায় জবাব দেওয়া কঠিন। তবে এটা মানতে হবে যে, বিশ্বকাপের মতো আবেগ তৈরি করা আয়োজন দুনিয়ার ইতিহাসে আর আসে না। এটা কেবল মাঠের খেলা নয়। এটা মাঠের বাইরে ও মাঠে হাসি-কান্নার এক বিশাল আয়োজন। বিশ্বকাপের এই মহিমা যে, এটা খেলোয়াড়দেরও ঠেলে দেয় পেশাদার দুনিয়ার ওপরে কোথাও।
    এই বিশ্বকাপ আসরেই দেখা যায় দুই প্রিয় বন্ধু ওয়েইন রুনি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো জাতীয় দলের স্বার্থে ‘শত্রু’ হয়ে উঠেছেন। এখানে মানুষ ক্লাবের আজীবনের ইতিহাস ভুলে যায়। কেবলই সামনে থাকে জাতীয় দলের স্বপ্ন। সেই স্বপ্নের জন্য খেলোয়াড়রা ক্যারিয়ারকে বাজি ধরতেও দ্বিধা করেন না। সেই গত বিশ্বকাপের লুই সুয়ারেজের কথা চিন্তা করুন। গোলরক্ষক পরাস্ত; বল ঢুকে যাচ্ছে জালে। নিশ্চিত লালকার্ড ও নিষেধাজ্ঞা জেনেও সুয়ারেজ বল হাত দিয়ে ধরে ফেললেন। এই দৃশ্য বিশ্বকাপ ছাড়া আর কোথায় পাবেন!
    আসলে ফুটবল খেলাটার চরিত্রই এমন।
    এই খেলা খেলতে লাগে না হাজার হাজার টাকার উপকরণ, নেই আইন-কানুনের ভুরি ভুরি খটমটে কথা। আছে কেবল সরল সোজা গোলের উত্সব এবং পাওয়ার আনন্দ ও না পাওয়ার বেদনা। তাই এই খেলা সারা পৃথিবীকে একটা সুতোয় বেঁধে ফেলতে পারে। আর সেই খেলার বিশ্বকাপ যখন, তখন সেই সুতোটা আরও শক্ত হয়ে পৃথিবীর সব মানুষকে আঁটোসাঁটো করে বেঁধে ফেলে।
    ফুটবলারদের জন্য বিশ্বকাপটা আরও গুরুত্বপূর্ণ এই কারণে যে, এখানে তারকা থেকে মহাতারকা হয়ে ওঠার সুযোগ থাকে। বিশ্বকাপই একজন পেলে কিংবা ম্যারাডোনাকে অসাধারণ করে তোলে। একটা বিশ্বকাপের স্পর্শ একজন তারকাকে করে তোলে পূর্ণাঙ্গ।
    লিওনেল মেসির কথা ধরুন। সারাটা ক্যারিয়ার বার্সেলোনায় কাটানো লিওনেল মেসি ক্লাবের হয়ে জেতেননি এমন কিছু নেই। পাঁচবার ফিফা বর্ষসেরা ও পাঁচবার ব্যালন ডি’অর জিতেছেন। বার্সেলোনার হয়ে ৩২টি ট্রফি জিতেছেন। এর মধ্যে আছে ৯টি লা লিগা, চারটি চ্যাম্পিয়নস লিগ, ছয়টি কোপা দেল রে। লা লিগায় ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা তিনি। এ ছাড়াও লা লিগায় এক মৌসুমের সর্বোচ্চ গোলদাতা, ইউরোপে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলদাতা, ইউরোপে এক বর্ষপঞ্জিতে সর্বোচ্চ গোলাদাতা; ভুরি ভুরি রেকর্ড তার দখলে। জাতীয় দল আর্জেন্টিনার ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা মেসি। জাতীয় দল ও ক্লাবের হয়ে ছয় শতাধিক গোল করেছেন।
    কিন্তু মেসি কী এই সবকিছু নিয়ে তৃপ্ত? মেসি নিজেকে কী ভিনগ্রহের ফুটবলার বলে ভাবতে পারেন? উত্তর-না। কারণ, তার জীবনের সবচেয়ে বড় অতৃপ্তিটা হলো জাতীয় দলের হয়ে কোনো মেজর ট্রফি জিততে পারেননি। যুবদলের হয়ে জিতেছেন, অলিম্পিক জিতেছেন; কিন্তু আর্জেন্টিনা মূল দলের হয়ে কিছু জেতা হয়নি। গত বিশ্বকাপে নিঃশ্বাস ফেলা দূরত্ব থেকে ফিরে এসেছেন। মাঝে অবসরও নিয়ে ফেলেছিলেন। কিন্তু একটা বিশ্বকাপ জিতবেন বলে ফিরে এসেছেন। এই ক’দিন আগেও বলেছেন, একটা বিশ্বকাপের জন্য   ক্লাবের হয়ে জেতা সব শিরোপা ফেরত দিয়ে দিতে পারেন।
    এই বিশ্বকাপ এমনই এক ব্যাপার।
    অবশেষে আমরা সেই বিশ্বকাপের দুয়ারে দাঁড়িয়ে। এই প্রথম রাশিয়ায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপ। ২০১০ সালে তারা এই আয়োজনের স্বত্ব পেয়েছে। সেই থেকে চলছে তোড়জোড়। আজ থেকে শুরু হয়ে আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত চলবে এই আসর। রাশিয়ার ১১টি শহরের ১২টি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে ৩২ দলের মোট ৬৪টি ম্যাচ। আর শেষ ম্যাচে বিশ্ব খুঁজে পাবে নতুন চ্যাম্পিয়ন।
    চলুন তাহলে ভেসে পড়া যাক বিশ্বকাপের আনন্দে।