জাপানে আগত বিদেশী পর্যটকের ব্যয়ের পরিমাণ রেকর্ড সর্বোচ্চ

জাপানে, গতবছর আগত বিদেশী পর্যটকদের ব্যয়ের পরিমাণ রেকর্ড সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

জাপান পর্যটন সংস্থা, গতবছর বিদেশী পর্যটকরা জাপানে থাকা, কেনাকাটাসহ অন্যান্য কাজে আনুমানিক ৪ লাখ ৮০ হাজার কোটি ইয়েন বা প্রায় ৪ হাজার ৩৭০ কোটি ডলারের সমপরিমাণ অর্থ ব্যয় করেন বলে জানায়।

সংস্থা, এ সংখ্যা গতবছরের চেয়ে প্রায় ৬ শতাংশ বেশী এবং পরপর সাত বছর পূর্ববর্তী বছরের রেকর্ড নবায়নের ঘটনা বলে উল্লেখ করে।

এটি হচ্ছে প্রত্যেক পর্যটকের গড় ব্যয়ের পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৩ শতাংশ বেশী প্রায় ১ হাজার ৪৩৮ ডলার নিয়ে গত চার বছরের মধ্যে প্রথমবারের মত বৃদ্ধির ঘটনা।

পর্যটকদের ব্যয়ের পরিমাণ, প্রায় ১ হাজার ৬শ কোটি ডলার নিয়ে চীন শীর্ষে এবং এরপর ৫শ কোটি ডলার নিয়ে তাইওয়ান ২য় এবং প্রায় ৩শ ৮০ কোটি ডলার নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়া ৩য় অবস্থানে রয়েছে।

ক্রমাবনতীশীল দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ফলে পর্যটকের সংখ্যা হ্রাস পাওয়ায় দক্ষিণ কোরীয়দের ব্যয়ের পরিমাণ প্রায় ২৮ শতাংশ হ্রাস পায়।

সংস্থা, জাপানে গতবছর অনুষ্ঠিত রাগবি বিশ্বকাপ পর্যটকদের ব্যয় বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়েছে বলে জানায়।

সংস্থাটি, চলতি বছরের টোকিও অলিম্পিক ও প্যারালিম্পিকের কারণে পর্যটকদের ব্যয় কি পরিমাণ বৃদ্ধি পায় সেদিকে নজর রাখবে বলে উল্লেখ করে।

চীনে নতুন করোনা ভাইরাসজনিত দ্বিতীয় মৃত্যু

চীনের উহান শহরের কর্তৃপক্ষ নতুন এক ধরনের করোনা ভাইরাসের কারণে দেখা দেয়া নিউমোনিয়ায় দ্বিতীয় মৃত্যুর খবর ঘোষণা করেছে।

এই শহরের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার জানায়, সর্বশেষ মৃত ব্যক্তির বয়স ছিল ৬৯ বছর। তিনি বুধবার উহানের এক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। উহান হচ্ছে মধ্য চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী।

করোনা ভাইরাসের নতুন স্ট্রেইনটি প্রথমে উহান’এ শনাক্ত করা হয়। এই ভাইরাসের কারণে দেখা দেয়া নিউমোনিয়া ছড়িয়ে পড়ছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষগুলো জানাচ্ছে, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ৪১ জন নিশ্চিতভাবে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

এদের মধ্যে দু’জন নিহত হন, ৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক, অন্যদিকে ১২ জন সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

চীনে, চান্দ্র নববর্ষের ছুটি আগামী শুক্রবার থেকে শুরু হয়ে এক সপ্তাহ ধরে চলবে। সম্ভাব্য সংক্রমণ রোধ করার জন্য কর্তৃপক্ষগুলো দেশের ভিতরে এবং বাইরে লোকজনের চলাচলের উপর পর্যবেক্ষণ জোরদার করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পশ্চিম জাপানে মহাভূমিকম্পের ২৫ বছর পূর্তি

পশ্চিম জাপানের হিয়োগো জেলা ও আশপাশের এলাকায় বিধ্বংসী ভূমিকম্প আঘাত হানার ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে শুক্রবার। এই ভূমিকম্পে ৬ হাজার ৪শো ৩৪ জন প্রাণ হারান।

১৯৯৫ সালের ১৭ই জানুয়ারি আঘাত হানা হানশিন-আওয়াজি মহাভূমিকম্প নামে পরিচিত এই ভূমিকম্পে অসংখ্য বাড়িঘর ও ভবন ধ্বংস হয়ে যায় এবং ব্যাপক অগ্নিকান্ড ঘটে।

ক্ষয়ক্ষতি সবচেয়ে বেশি হয়েছে যে জায়গায় সেই কোবে শহরের একটি উদ্যানে নিহত ব্যক্তিদের স্মরণে বাঁশের লন্ঠন সাজানো হয়। লন্ঠনের আলো দিয়ে সংখ্যায় লেখা হয় জানুয়ারির ১৭ তারিখ। লেখা হয়েছে একটি জাপানি শব্দ ‘কিযামু’ যার অর্থ খোদাই করা।

এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের স্মৃতি তরুণ প্রজন্মকে জানানো, এ থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা গ্রহণ করা এবং শহরটিকে নতুন ক’রে গড়ে তোলার যে প্রত্যয় মানুষের, সেটি ব্যক্ত করার জন্য এই শব্দটি বেছে নেওয়া হয়।

কোবে শহরের পুনরুদ্ধারে সময় লাগছে। পুনর্গঠনের প্রকল্পগুলোর মধ্যে থেকে একটি প্রকল্প সবে গতবছর শেষ হোল। শহরটির বিপনী এলাকায় আগে যে প্রাণচাঞ্চাল্য বিরাজ করতো, সেই পরিবেশ এখনও ফিরে আসেনি।

হিয়োগো জেলা সরকারের এখনও এক লক্ষ কোটি ইয়েনের ওপর বা প্রায় ৯শো কোটি ডলার পরিমাণ ঋণ পরিশোধ করা বাকি যে অর্থ তাদের দেওয়া হয় পুনরুদ্ধার কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য। এই অর্থ পরিশোধে আরও ১০ বছর সময় লাগতে পারে।

ফের ব্রিটেনের ছায়া উপমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন টিউলিপ

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাতনি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক এমপি ব্রিটেনের ছায়া উপমন্ত্রী নিযুক্ত হয়েছেন। বিরোধী দল লেবার পার্টির ছায়া মন্ত্রিসভায় তিনি শ্যাডো আর্লি ইয়ার্স মিনিস্টার নিযুক্ত হন।

টিউলিপ এর আগেও এ পদে দায়িত্ব পালন করেন। ব্রিটেনের সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনে লন্ডনের হ্যাম্পস্টেড ও কিলবার্ন আসনে টানা তৃতীয়বারের মতো জয়ী হন ৩৭ বছর বয়সী টিউলিপ। ব্রিটেনজুড়ে যে পাঁচ-ছয়টি আসনে জয়-পরাজয় নিয়ে ভোটার ও ব্রিটিশ গণমাধ্যমের উন্মুখ দৃষ্টি থাকে, তার মধ্যে হ্যাম্পস্টেড ও কিলবার্ন আসন একটি।

নব্বই দশক থেকে এই আসনটি ব্রিটেনের তীব্র প্রতিদ্ব›িদ্বতাপূর্ণ আসনগুলোর তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছে। ব্রিটেনের রয়্যাল সোসাইটি অব আর্টসের ফেলো টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ২০১৫ সালে এই আসন থেকে প্রথমবার নির্বাচিত হন। ওই নির্বাচনে ২৩ হাজার ৯৭৭ ভোট পান তিনি। ২০১৭ সালের নির্বাচনে তিনি ৩৪ হাজার ৪৬৪ ভোট পেয়ে পুনরায় নির্বাচিত হন।

লন্ডনে জন্ম নেওয়া ক্যারিয়ার পলিটিশিয়ান টিউলিপ মাত্র ১৬ বছর বয়সে লেবার পার্টির সদস্য হয়ে যুক্ত হন ব্রিটিশ রাজনীতিতে। এমপি নির্বাচিত হওয়ার আগে টিউলিপ ক্যামডেন কাউন্সিলের কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। তিনি ক্যামডেন কাউন্সিলের প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভ‚ত নারী কাউন্সিলর।

ব্রিটেনের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক ড. শফিক সিদ্দিক এবং শেখ রেহানা দম্পতির তিন সন্তানের মধ্যে টিউলিপ দ্বিতীয়। সূত্র : ওয়েবসাইট।

২০২০ সালে চার কোটি বিদেশী পর্যটক আকর্ষণের চেষ্টা করবে জাপান

জাপানের চিফ ক্যাবিনেট সেক্রেটারি ইয়োশিহিদে সুগা, পর্যটন কৌশল এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে বুধবার সরকারী এক প্যানেলের সামনে ভাষণ দেন। এই বছরের শেষ নাগাদ জাপানের লক্ষ্য হল চার কোটি পর্যটককে স্বাগত জানানো বলে তিনি পুনরাবৃত্তি করেন।

বিশ্ব ভ্রমণকারীদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে বিভিন্ন ধরনের স্থানে পর্যটকদের আকর্ষণ করার লক্ষ্যে জাপানকে প্রচেষ্টা চালাতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, শুধুমাত্র হোক্কাইদো এবং ওকিনাওয়ার মত প্রধান প্রধান এলাকাগুলো ছাড়াও অন্যান্য অঞ্চল সম্প্রসারণের বিরাট সম্ভাবনা রয়েছে।

গত সপ্তাহে সরকার অনুমান করেছিল যে ২০১৯ সালে রেকর্ড সংখ্যক প্রায় ৩ কোটি ২০ লক্ষ বিদেশী জাপান ভ্রমণে এসেছিল। তবে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে আসা পর্যটকদের সংখ্যা হ্রাস পাওয়ায় বছর ওয়াড়ি হিসাবে বৃদ্ধির এই হার হল শুধুমাত্র দুই দশমিক দুই শতাংশ।

 

বিমান দুর্ঘটনা নিয়ে সত্য বলার নির্দেশ ইরানের সর্বোচ্চ নেতার

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনি দেশটির সামরিক বাহিনীকে ইউক্রেনের যাত্রীবাহী বিমান ভূপাতিত হওয়ার কারণ এবং এই দুর্ঘটনার জন্য কে দায়ী, সেটি নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছেন।

গতকাল ইরানের সামরিক বাহিনী ঐ বিমানটিকে অনিচ্ছাকৃতভাবে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ভূপাতিত করার বিষয়টি স্বীকারের পাশাপাশি “মানব-ঘটিত ত্রুটি”কে এই ভুলের জন্য দায়ী করার পর খামেনি এই বিবৃতি প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার তেহরান থেকে উড্ডয়নের অল্প কিছুক্ষণ পর ইউক্রেন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট ৭৫২ ভূপাতিত হয়। বিমানে থাকা প্রায় ১৮০ ব্যক্তির সবাই এতে নিহত হন।

ঐ বিবৃতিতে খামেনি বলেন, ঐ দুর্ঘটনার জন্য মানব ত্রুটি দায়ী, একটি তদন্তে সেটি উদ্ঘাটনের খবর শুনে তিনি মর্মাহত হয়েছেন এবং ঐ বিমানের সব আরোহীর মৃত্যুর ঘটনাও তাকে শোকার্ত করেছে। নিহতদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি তিনি নিজের সমবেদনা জানান।

সর্বোচ্চ এই নেতা ইরানি সামরিক বাহিনীকে এমনভাবে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন যাতে সত্য উচ্চারিত হয়। এছাড়া, তিনি সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে এই ধরণের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সম্ভাব্য সকল পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশনাও প্রদান করেন।

ইরান সরকার সংশ্লিষ্ট দেশটির ফার্স বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, খামেনি এবং প্রেসিডেন্ট হাসান রৌহানিকে গত শুক্রবার সকালে অবহিত করা হয় যে মানব ত্রুটির কারণে ইউক্রেনীয় বিমানটি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ভূপাতিত হয়।

এরপর, খামেনি দেশের শীর্ষ সিদ্ধান্ত নেয়ার সংগঠন সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের একটি জরুরি বৈঠক আহ্বান করেন।

শুক্রবারের ঐ বৈঠকের পর খামেনির নির্দেশনা অনুযায়ী সামরিক বাহিনী এই ঘোষণা দেয় যে ঐ বিমানকে ভুলক্রমে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ভূপাতিত করা হয়েছিল।

ইরান-আমেরিকা সংঘাতে বিশ্বের শান্তি নষ্ট হবে : শিনজো আবে

মধ্যপ্রাচ্যে পাঁচদিনের সফর শুরু করেছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে। এ সফরে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরে আসবে। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে হত্যার ঘটনায় সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র উত্তেজনা চলছে। এর প্রভাব পড়েছে মধ্যপ্রাচ্যেও।

এমন পরিস্থিতির মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে সফর করছেন আবে। সাম্প্রতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে আবে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরানের সঙ্গে সামরিক সংঘাত বিশ্বের শান্তি ও স্থায়িত্ব নষ্ট করবে।
মধ্যপ্রাচ্যে পাঁচদিনের সফর করবেন আবে। জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাসাতো ওথতাকা জানিয়েছেন, রোববার সউদীর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে আল উলা প্রদেশে ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করেছেন আবে। সে সময় তারা ওই অঞ্চলের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন।
আবে বলেছেন, ওই অঞ্চলে কোনো ধরনের সামরিক সংঘাত শুধুমাত্র ওই অঞ্চলের শান্তি ও স্থায়ীত্বের ক্ষেত্রে হুমকি নয় বরং তার পুরো বিশ্বের জন্যই হুমকি। এমন পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে কূটনৈতিক পথে সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন আবে।
জাপান নিশ্চিত করেছে যে, ওই অঞ্চলে মার্কিন জোটে যোগ দিচ্ছে না তারা। টোকিও বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে একই সাথে ওয়াশিংটন এবং ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছে। তেহরানের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই জাপানের ভালো সম্পর্ক রয়েছে। সউদী সফর শেষে সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ওমান সফরে যাবেন আবে।

সেরা মুসলিম ব্যক্তিত্ব এরদোগান

বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের অধিকারের পক্ষে দাঁড়ানোয় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগানকে ‘বিশ্ব মুসলিম ব্যক্তিত্ব ২০১৯’ ঘোষণা করেছে নাইজেরিয়ার একটি ইসলামপন্থী পত্রিকা। মুসলিম নিউজ নাইজিরিয়ার প্রকাশক রাশেদ আবু বকর বলেন, আন্তর্জাতিক স¤প্রদায় ও মুসলিম বিশ্বে তিনি যে ক্ষমতা ও প্রভাবের অধিকারী হয়েছেন, তাতে এরদোগানকে এই খেতাবের জন্য পছন্দ করার মধ্যে কোনো বিতর্ক নেই। এর আগে ২০১৮ সালেও তাকে বিশ্ব মুসলিম ব্যক্তিত্ব ঘোষণা করেছিল পত্রিকাটি। প্রকাশক আবু বকর বলেন, বিশ্বজুড়ে তার প্রভাবের কারণেই এবারেও তাকে এই খেতাবে ভ‚ষিত করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট সবসময় ভুক্তভোগী লোকজনের পক্ষ দাঁড়ান। সিরিয়া, মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নিপীড়ন, কাশ্মীর ও ফিলিস্তিন ইস্যুতে এরদোগানকে সবসময় সরব দেখা গেছে। এছাড়া মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ করতে কুয়ালালামপুর সম্মেলনেরও আয়োজন করেছেন এরদোগান। বিশ্ব মুসলিম ব্যক্তিত্বের তালিকায় আরও রয়েছেন, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ, সোমালি বংশোদ্ভ‚ত মার্কিন কংগ্রেসের সদস্য ইলহান ওমর, গাম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আদামা ব্যারো ও তুর্কি বংশোদ্ভ‚ত জার্মান ফুটবল তারকা মেসুত ওজিল। মুসলিম নিউজ এ খবর জানায়। অপরদিকে,অতিরিক্ত পানি ও খাদ্য সাবাড় করার কারণে দক্ষিণাঞ্চলের ১০ হাজারেরও বেশি উটকে গুলি করে মেরে ফেলার কাজ শুরু করেছে অস্ট্রেলিয়ার। ওই হত্যাযজ্ঞের প্রথমদিনে বৃহস্পতিবার দেড় হাজার উটকে প্রশিক্ষিত স্নাইপার দিয়ে আকাশ থেকে (হেলিকপ্টার থেকে) গুলি করে মারা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়াকে এই ১০ হাজার উট মেরে ফেলার পরিবর্তে ইসলামি রীতিতে জবাই করে তা দান করার আহŸান জানিয়েছে ইউরোপের দেশ তুরস্কের সরকারি মানবিক সহযোগিতা সংস্থা। অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের আনানজু পিতজানৎজাতজারা ইয়ানকুনিৎজাতজারা ল্যান্ডস (এওয়াইপি) খুবই খরাপ্রবণ এলাকা। যে কারণে এ অঞ্চলে পানির খুব সংকট। এখানকার বন্য উটগুলো খুব বেশি করে পানি খেয়ে নিচ্ছে। ফলে স্থানীয়দের জন্য থাকছে না পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি। সে কারণে বিশ্ব উষ্ণায়নের অজুহাতে এ অঞ্চলের অন্তত ১০ হাজার উট হত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। হেলিকপ্টার থেকে বন্য উটগুলোকে গুলি করে মারা হবে বলে জানা যায়। অস্ট্রেলিয়াকে এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহবান জানিয়েছে তুরস্ক। ফিলিস্তিনভিত্তিক গণমাধ্যম গাজা আল-আনের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, তুরস্কের সরকারি মানবিক সহযোগিতা সংস্থা (আইএইচএইচ)এর সহকারি পরিচালক সিরকান নার্গিস ১০ হাজার উট গুলি করে না মেরে সেগুলোকে ইসলামি রীতি অনুযায়ী জবাই করে বিশ্বের দরিদ্র ও প্রয়োজনগ্রস্ত মানুষদের মাঝে বিতরণের আহবান জানিয়েছেন। তুরস্কের আইএইচএইচ সংস্থাটি এ মর্মে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে যে, অস্ট্রেলিয়া যেন তাদের এই সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে আসে। তারা এ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে বলেও জানায় সংস্থাটি। অস্ট্রেলিয়ার ১০ হাজার উট না মেরে তা জবাই করে প্রয়োজনগ্রস্ত মানুষকে দান করার কাজে সহযোগিতা করলে নিঃসন্দেহে দেশটি বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হবে। আনাদোলু, এএফপি।

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা নিয়ে আবে ও সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক

জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনযো আবে, সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হওয়ার মাধ্যমে তাঁর মধ্যপ্রাচ্য সফর আরম্ভ করেছেন।

গতকাল সৌদিতে পৌঁছার পর আজ আবে, রাজধানী রিয়াদের একটি রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফায়সাল বিন ফারহান আল সৌদের সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হন।

আবে, মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি, অন্যান্য সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে কাজ করে যাওয়ার পাশাপাশি এই অঞ্চলের উত্তেজনা হ্রাস ও পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে জাপান ধৈর্য সহকারে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখে যাবে বলে উল্লেখ করেন।

আবে, সৌদি আরবকে আরব বিশ্ব ও ইসলামের নেতা হিসেবে অভিহিত করে দেশটির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

প্রিন্স ফায়সাল, আঞ্চলিক পরিস্থিতিকে স্থিতিশীল করা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা উভয় দেশ অংশীদার করে বলে উল্লেখ করে জাপানের সঙ্গে অব্যাহত ভাবে কাজ করে যাওয়ার ইচ্ছা ব্যক্ত করেন।

আবে, এই অঞ্চলে জাপানের আত্মরক্ষা বাহিনীর বিমান ও একটি ডেস্ট্রয়ার প্রেরণের বিষয়ও ব্যাখ্যা করেন।

তিনি, জাপানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তথ্য সংগ্রহ করাই হচ্ছে এই প্রেরণের লক্ষ্য বলে জানান।

প্রিন্স ফায়সাল, জাপানের গৃহীত সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে নিরাপদ জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করা দেশগুলোর দায়িত্ব বলে নিজের মতামত প্রকাশ করেন।

তাহারা শহরে সরষে ফুলের উৎসব শুরু

মধ্য জাপানের ‘আইচি’ জেলার তাহারা শহরে, নানোহানা মাৎসুরি বা সরষে ফুলের উৎসব শুরু হয়েছে। তাহারা শহরের ১৯ হেক্টর অব্যবহৃত কৃষিভূমিতে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ সরষে ফুল গাছের চাষ করা হয়। বছরের প্রায় এই সময়ে, সরষে ফুল ফোটে।

বর্তমানে প্রায় ৭০ শতাংশ সরষে ফুল প্রস্ফুটিত হয়েছে। আগামী মাসে পূর্ণ প্রস্ফুটিত হলে ১০টিরও বেশী খেতকে উজ্জ্বল হলুদ রঙ্গের গালিচা আচ্ছাদিত বলে মনে হবে। তখন দর্শকরা, বসন্ত শুরু হওয়ার আগেই বসন্তের আমেজ উপভোগ করতে পারবেন।

আগামী ৩১শে মার্চ পর্যন্ত এই উৎসব চলবে। তখন সরষে ফুলের খাবার, সরষে ফুল সাজানো বিদ্যার ক্লাস এবং অন্যান্য অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

ভুলবশত ইউক্রেনের বিমান ভূপাতিত

ইরানের সামরিক বাহিনী, চলতি সপ্তাহে তেহরানের অদূরে ভুলবশত গুলি করে ইউক্রেনের একটি যাত্রীবাহী বিমান ভূপাতিত করা হয় বলে স্বীকার করেছে। তবে এতে, এটি ইচ্ছাকৃত নয় এবং ভুলটির জন্য মানুষ দায়ী বলে উল্লেখ করা হয়।

প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি, বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার এই ঘটনার জন্য ইরান দায়ী বলে নিশ্চিত করেন। টুইটারে প্রেরিত এক বার্তায় তিনি, গভীর দুঃখ ও শোক প্রকাশ করেন। তিনি, এই দুর্ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে জানান।

গত বুধবার, ইউক্রেন আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট ৭৫২ তেহরান থেকে উড্ডয়নের অব্যবহিত পর বিধ্বস্ত হয়। বিমানটির, প্রায় ১৮০ জন আরোহীর সবাই প্রাণ হারান।

আজ প্রদত্ত এক বিবৃতিতে ইরানের সামরিক বাহিনী, ইউক্রেনের বিমানটি বিপ্লবী রক্ষীবাহিনীর একটি স্পর্শকাতর স্থাপনার খুব কাছ দিয়ে উড়ে যাচ্ছিল বলে জানায়।

এতে, মানুষের ভুলে অনিচ্ছাকৃত ভাবে বিমানটিকে গুলি করে ভূপাতিত করা হয় বলে উল্লেখ করা হয়। এটি, এর আগে যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে বিমানটি বিধ্বস্ত হয় বলে দেশটির করা দাবির বিপরীত।

ইরানের সামরিক বাহিনী, ইরাকে হামলা চালানোর পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তারা পাল্টা হামলা চালানোর হুমকি দেয়ায় তাদের সেনারা উচ্চ সতর্ক অবস্থায় ছিল বলে জানায়।

ইরাকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনীর ঘাঁটি গুলোর উপর ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর কয়েক ঘণ্টা পর এই দুর্ঘটনা ঘটে। যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক অধিনায়ক কাসেম সোলাইমানির নিহত হওয়ার প্রতিশোধ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়।

নিহতদের ৮২ জন ইরানি এবং ৫৭ জন হচ্ছেন কানাডীয় নাগরিক। নিহত অন্যান্যদের মধ্যে, ইউক্রেন, সুইডেন, আফগানিস্তান, জার্মানি ও ব্রিটেনের নাগরিকও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

ইউক্রেনের বিমান হয়তো ভূপাতিত করা হয়েছে

কানাডা, ব্রিটেন এবং যুক্তরাষ্ট্র সন্দেহ করছে যে, ইরান ইউক্রেনের একটি যাত্রীবাহী বিমান ভূপাতিত করেছে যেটি বুধবার বিধ্বস্ত হয়। ইরান এই অভিযোগ অস্বীকার করে।

ইউক্রেন আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট ৭৫২ প্রায় ১৮০ জন আরোহী নিয়ে তেহরানের একটি বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের পর পরই বিধ্বস্ত হয়। সমস্ত যাত্রী এবং ক্রু নিহত হয়েছেন।

ইউক্রেনের সরকার জানাচ্ছে, ৮২ জন ইরানি নাগরিক এবং ৬৩ জন কানাডার নাগরিক বিমানের যাত্রী ছিলেন। আরোহীদের মধ্যে আরও ছিলেন ইউক্রেন, সুইডেন, আফগানিস্তান, জার্মানি ও বৃটেনের নাগরিক।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বৃহস্পতিবার বলেন, সাক্ষ্য-প্রমাণ এই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, বিমানটি ইরানের ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে ভূপাতিত করা হয়। তিনি এও বলেন, বিমানটি হয়তো ভুলবশত ভূপাতিত করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি কর্মকর্তারা একথা বলেন বলে জানা গেছে যে, মার্কিন উপগ্রহ দু’টি ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করে যেগুলো বিমানটি বিস্ফোরিত হওয়ার একটু আগে নিক্ষেপ করা হয় এবং বিমানটি হয়তো দুর্ঘটনাবশত ইরানি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভূপাতিত করেছে।

ইরানি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা রাষ্ট্র পরিচালিত টেলিভিশনে বলেন, এই আকাশ পথে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ বিমানের ফ্লাইটগুলো যাওয়া-আসা করে বলে এ ধরনের এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্রের নিক্ষেপ সত্যিই অবিশ্বাস্য ঘটনা।

কর্মকর্তা এও বলেন, যদি একটি ক্ষেপণাস্ত্র বিমানটিকে আঘাত করতো তাহলে এটি টুকরো টুকরো হয়ে ভেঙ্গে পড়তো। তবে পাইলটরা বিমানে আগুন ধরে গেলে বিমানবন্দরে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কর্মকর্তা আরও বলেন, এই উচ্চতার একটি বিমান বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে সক্রিয় করবে না।

কর্মকর্তা এও বলেন, ইরান পশ্চিমা দেশ থেকে অনুসন্ধানকারীদের আমন্ত্রণ জানাতে প্রস্তুত রয়েছে।

২০১৯ সালে জাপানে বিদেশী পর্যটকের সংখ্যায় নতুন রেকর্ড

জাপানে বিদেশী পর্যটকের সংখ্যা পর পর সাত বছরের মত রেকর্ড মাত্রায় পৌঁছেছে।

পর্যটন মন্ত্রী জানিয়েছেন, গতবছর জাপান বিদেশ থেকে আগত প্রায় ৩ কোটি ২০ লক্ষ পর্যটককে স্বাগত জানিয়েছে।

এদের মধ্যে অনেকেই হলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইওরোপ থেকে আগত রাগবি ভক্ত যারা রাগবি ওয়ার্ল্ড কাপের ম্যাচ দেখতে জাপানে এসেছিলেন।

সস্তায় টিকিট দেয় এমন বিমান কম্পানির নতুন নতুন রুটে বিমান চালানোর সুযোগ নিয়ে চীন ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়া থেকেও জাপান বেড়াতে এসেছেন বহু লোক।

তবে গতবছর পর্যটক সংখ্যায় বৃদ্ধির হার ছিল এর আগের বছরের তুলনায় কিছুটা মন্থর। জাপানে আসা পর্যটকের সংখ্যা গতবছর বৃদ্ধি পায় দুই শতাংশের কিছু বেশি। দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে সম্পর্কের অবনতি ঘটায় সেদেশ থেকে আসা পর্যটকের সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে।

এবছর জাপানে গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক ও প্যারালিম্পিক অনুষ্ঠিত হবে। সেই পটভূমিতে জাপান আশা করছে চলতি বছর দেশে পর্যটকের সংখ্যা ৪ কোটিতে বৃদ্ধি পাবে এবং এই সংখ্যটি হবে গতছরের চেয়ে ২৫ শতাংশ বেশি।

২০১৯ সালে গাড়ির বাজারে ছোট গাড়ির প্রাধান্য

২০১৯ সালে জাপানে সর্বোচ্চ বিক্রি হওয়া নতুন গাড়ির শীর্ষ চারটি মডেলই ছিল ছোট গাড়ির।

প্রায় ২ লক্ষ ৫৩ হাজার ইউনিট বিক্রির মধ্যে দিয়ে হোন্ডা এন-বক্স টানা তিন বছর ধরে সর্বোচ্চ অবস্থানে থাকার সম্মান অর্জন করেছে। আর প্রায় ১ লক্ষ ৭৫ হাজার গাড়ি বিক্রির মধ্যে দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে দাইহাতসু’র তান্তো। অন্যদিকে, প্রায় ১ লক্ষ ৬৬ হাজার ইউনিট বিক্রির মাধ্যমে তৃতীয় অবস্থানে ছিল সুযুকির স্পেসিয়া, এবং প্রায় ১ লক্ষ ৬০ হাজার ইউনিট বিক্রির মাধ্যমে নিসানের ডায়েয চতুর্থ স্থান দখল করে।

ছোট গাড়ীগুলো বিক্রির শীর্ষ ১০টি স্থানের মধ্যে মোট পাঁচটি স্থান দখল করেছে। ক্রেতারা গাড়ীর অভ্যন্তরের বড় স্থান এবং স্বয়ংক্রিয় ব্রেক ব্যবস্থার মত অনেক নিরাপত্তা উপকরণ থাকা মডেলগুলো পছন্দ করেছেন।

ছোট গাড়ীগুলো সাধারণত প্রথাগতভাবে পরিবারের দ্বিতীয় গাড়ি হিসেবে জনপ্রিয়। তবে শিল্প পর্যবেক্ষকরা বলছেন, চালকরা ক্রমবর্ধমানভাবে সেগুলোকে প্রথম পছন্দ হিসেবে বেছে নিচ্ছেন।

তারা বলছেন, এর কারণ এগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থাসমূহ এখন বড় গাড়ীর সমমানের হয়ে উঠেছে।

এদিকে, যে গাড়িটি ছোট না হয়েও বিক্রির শীর্ষে ছিল, সেটি হল টয়োটার হাইব্রিড গাড়ি প্রিয়ুস, ক্রমতালিকায় যার স্থান ছিল পঞ্চম।

টোকিও’তে শেয়ার মূল্য পূর্বাবস্থায় ফিরতে শুরু করেছে

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য একটি সামরিক সংঘাতের সম্ভাবনার উদ্বেগ হ্রাস পাওয়ায় গতকালের মূল্য ধ্বস থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য টোকিও শেয়ার বাজারে আজ ব্যাপক দর বৃদ্ধি ঘটে।

আজ নিক্কেই গড় সূচক গতকাল থেকে ৫শ ৩৫ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ২৩ হাজার ৭শ ৩৯ পয়েন্টে দিনশেষ করে।
বাজারে অংশগ্রহণকারীরা বলছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তৃতার পর ইরানের বিরুদ্ধে নতুন মার্কিন সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে সতর্কতা সহজ হয়ে আসে।
আর এর ফলে ডলারের বিপরীতে ইয়েনের দুর্বল হয়ে পড়ার মাঝে বিনিয়োগকারীরা বিক্রিত শেয়ার পুনরায় কিনে নেয়ায় এশিয়া জুড়ে শেয়ারের মূল্য বৃদ্ধি ঘটে।
তবে, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির অনিশ্চয়তার কারণে অপেক্ষা এবং দেখার মনোভাব অব্যাহত থাকবে বলে তারা মনে করেন।